WSI-KRYSTALINE-12A : আইওনাইজার এবং ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি নিয়ে নতুন ১টনের এসি

জুন ৩০, ২০২০

আপনার ১৫০-১৪০ বা এর কম স্কয়ারফিটের স্পেসের জন্য এসি কিনবেন ভাবছেন? তবে আপনার ১ টন এসিই যথেষ্ট। আর ১ টন এসিতে সকল সুবিধার কথা মাথায় রেখে দেশীয় সর্ববৃহত ইলেকট্রনিকস হোম এপ্লায়েন্স জায়ান্ট ওয়ালটন তাদের ক্রিস্টালাইন সিরিজের অধীনে ১টন ক্যাপাসিটির নতুন মডেলের একটি এসি নিয়ে এসেছে, যেটি হচ্ছে WSI-KRYSTALINE-12A। নতুম এই মডেলটিতে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির পাশাপাশি থাকছে অত্যাধুনিক অাইওনাইজার প্রযুক্তি। 

আইওনাইজার প্রযুক্তি নেগেটিভ আয়ন চার্জ তৈরি করে বাতাসে থাকা ক্ষতিকারক মাইক্রোকনটেন্টকে ধ্বংস করে ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করতে সক্ষম। ক্রিস্টালাইন সিরিজের নতুন এই এসির পরিবেশ বান্ধবও বটে। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। যা অন্যসব এইচএফসি গ্যাসের চাইতে অত্যান্ত কম কার্বন নিঃসরনকারী রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। ১২০০০ বিটিইউ তথা ১ টন ক্যাপাসিটির এই ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার এসিটির দাম ৪৬০০০ টাকা।
  • মডেল: WSI-KRYSTALINE-12A।
  • দাম: ৪৬০০০
  • বিটিইউ: ১২০০০
  • কুলিং ক্যাপাসিটি(ওয়াট): ৩৫১৭
  • ইনপুট পাওয়ার: ১১৭০ ওয়াট
  • রেফ্রিজারেন্ট: আর-৩২
  • ফিচারস: টাইমার, স্লিপ, চাইল্ড লক, টার্বো মোড, ইকো মোড, এলসিডি ডিসপ্লে, অটো রিস্টার্ট
নতুন বেভেলিন সিরিজের দেড় টনের এসির মত এই ক্রিস্টালাইন এসিটিতেও ব্যবহার করা হয়েছে আইওনাইজার পাশাপাশি ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি। ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি সাধারন ইনভার্টার এসি থেকে অনেক বেশি কার্যকর। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিটিতে ব্রাসলেস ডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুবই স্মুথ এবং নিঃশব্দের সাথে কাজ করতে সক্ষম। এতে করে রাতে ঘুমানোর সময় এই এসি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এমন কোন যান্ত্রিক শব্দ আসবে না, যা আপনার ঘুমকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই এই এসিটি তার নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করে যাবে একদম নিঃশব্দে পূর্ণ দক্ষতার সাথে। আর ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির ফলে কম্প্রেসর এর নিয়ন্ত্রণ এই এসিটিতে অনেক পরিকল্পিত, যা এসিটিকে অন্যসব ইনভার্টার এসির থেকে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করেছে। ক্রিস্টালাইন ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার এসিটি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করতে সক্ষম। বহু এসি শুধু সিঙ্গেল ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করে, যার ফলে যারা কেবল এসির সামনে অবস্থান করে তারাই বাতাস পায়, ঘরের কোনায় কিংবা অন্য কোন স্থানে থাকা ব্যাক্তি বাতাস পায় না। তবে ক্রিস্টালাইন এসির মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করার সক্ষমতার ফলে সব দিকেই সমানভাবে শীতল বাতাস প্রবাহিত হবে। ক্রিস্টালাইন ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার এসিতে আপনি পাবেন ১৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত টেম্পারেচার মোড । বাজারের বহু এসিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এতে সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পাবেন। আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আর৪১০এ হল একটি মানসম্মত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, আর ৩২ তার থেকেও পরিবেশসম্মত গ্যাস। আগে আর২২ ব্যবহার করা হত যা ছিল অজোন স্তর জন্য খুবই মারাত্তক। যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন ছাড়বে।R-410A রেফ্রিজারেন্ট এর GWP মান ২০৯০। এবং R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫। বাংলাদেশের মত দেশে এসির মত হাই ইলেকট্রিসিটি কনজিউমিং ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি কতটা বিদ্যুত সাশ্রয়ী তা বিবেচনা করা খুবই জরুরী। ক্রিস্টালাইন এসিটির ইনপুট পাওয়ারও তুলনামূলকভাবে কম, আর এসিটি ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির হওয়ার ফলে, তুলনামূলকভাবে অনেকটা বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 

  এসিটি দেখতে অবশ্যই আপনার আসেপাশের নিকটস্থ ওয়ালটন ডিলার শো-রুম অথবা ওয়ালটন প্লাজায় চলে যেতে পারেন। এসিতে থাকছে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। এসির কম্প্রেসরে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আরো পাবেন ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। বর্তমানে সারা দেশে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কর্তৃক পরিচালিত ৭২টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। যেখানে যেকোনো সমস্যায় খুব সহজেই সেবা পেয়ে যাবেন। আশা করি আজকের ক্রিস্টালাইন ১ টন এসি সম্পর্কিত আর্টিকেল আপনার ভালো লাগলো, আপনার মতামত অবশ্যই নিচে জানাবেন।

পুড়োটা পড়ুন

WSI-BEVELYN-18C : ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির দেড় টনের বেভেলিন সিরিজের নতুন এসি

জুন ৩০, ২০২০


রিভারাইন, মার্বেল এবং ভেঞ্চুরি সিরিজের মডেলের এসি দিয়ে বাজারে বেশ সাফল্য অর্জনের পর বেভেলিন নামক নতুন একটি এসি সিরিজ নিয়ে এসেছে দেশীয় ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটন। সম্প্রতি ওয়ালটন বেভেলিন সিরিজের অধীনে 'ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার' প্রযুক্তি সম্বলিত একটি নতুন ১৮০০০ বিটিইউ তথা ১.৫ টনের একটি এসি বাজারে এনেছে, যার দাম রাখা হয়েছে মাত্র ৬৩, ০০০ টাকা৷
  • মডেল: WSI-BEVELYN-18C
  • দাম: ৬৩০০০
  • বিটিইউ: ১৮০০০
  • কুলিং ক্যাপাসিটি(ওয়াট): ৫২৭৫
  • ইনপুট পাওয়ার: ১৪২৫ ওয়াট
  • রেফ্রিজারেন্ট: আর-৩২ 
  • ফিচারস: টাইমার, স্লিপ, চাইল্ড লক, টার্বো মোড, ইকো মোড, এলসিডি ডিসপ্লে, অটো রিস্টার্ট
বেভেলিন এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি। ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি সাধারন ইনভার্টার এসি থেকে অনেক বেশি কার্যকর। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিটিতে ব্রাসলেস ডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুবই স্মুথ এবং নিঃশব্দের সাথে কাজ করতে সক্ষম। এতে করে রাতে ঘুমানোর সময় এই এসি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এমন কোন যান্ত্রিক শব্দ আসবে না, যা আপনার ঘুমকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই এই এসিটি তার নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করে যাবে একদম নিঃশব্দে পূর্ণ দক্ষতার সাথে। আর ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির ফলে কম্প্রেসর এর নিয়ন্ত্রণ এই এসিটিতে অনেক পরিকল্পিত, যা এসিটিকে অন্যসব ইনভার্টার এসির থেকে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করেছে। বেভেলিন ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার  এসিটি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করতে সক্ষম। বহু এসি শুধু সিঙ্গেল ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করে, যার ফলে যারা কেবল এসির সামনে অবস্থান করে  তারাই বাতাস পায়, ঘরের কোনায় কিংবা অন্য কোন স্থানে থাকা ব্যক্তি বাতাস পায় না। তবে বেভেলিন এসির মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করার সক্ষমতার ফলে সব দিকেই  সমানভাবে শীতল বাতাস প্রবাহিত হবে। বেভেলিন ইন্টেলিজেন্ট স্মার্ট  এসিতে আপনি পাবেন ১৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত টেম্পারেচার মোড। বাজারের বহু এসিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এতে সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পাবেন। আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আর৪১০এ হল একটি মানসম্মত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, আর ৩২ তার থেকেও পরিবেশসম্মত গ্যাস। আগে আর২২ ব্যবহার করা হত যা ছিল অজোন স্তর জন্য খুবই মারাত্তক। যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন ছাড়বে। R-410A রেফ্রিজারেন্ট এর GWP মান ২০৯০। এবং R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫। বাংলাদেশের মত দেশে এসির মত হাই ইলেকট্রিসিটি কনজিউমিং ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি কতটা বিদ্যুত সাশ্রয়ী তা বিবেচনা করা খুবই জরুরী। বেভেলিন এসিটির ইনপুট পাওয়ারও তুলনামূলকভাবে কম, আর এসিটি ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির হওয়ার ফলে, তুলনামূলকভাবে অনেকটা বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এসিটি দেখতে অবশ্যই আপনার আসেপাশের নিকটস্থ ওয়ালটন ডিলার শো-রুম অথবা ওয়ালটন প্লাজায় চলে যেতে পারেন। এসিতে থাকছে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। এসির কম্প্রেসরে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আরো পাবেন ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। বর্তমানে সারা দেশে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কর্তৃক পরিচালিত ৭২টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। যেখানে যেকোনো সমস্যায় খুব সহজেই সেবা পেয়ে যাবেন। আশা করি আজকের বেভেলিন ১.৫ টন এসি সম্পর্কিত আর্টিকেল আপনার ভালো লাগলো,  আপনার মতামত অবশ্যই নিচে জানাবেন। 

পুড়োটা পড়ুন

সম্পর্ক বিচ্ছেদ হলে কি পরস্পর শ্রদ্ধাবোধও হারিয়ে ফেলতে হবে?

জুন ২৪, ২০২০

আজকালকার প্রেমিক-প্রেমিকাদের একটা কাজ করতে প্রায়ই দেখি। নিজেদের মধ্যে যেকোনো কারণে মনোমালিন্য কিংবা সাময়িক ব্রেকআপ হলেই, পরিচিত মহলে পরস্পরের নামে যাচ্ছেনাতাই কথা ছড়াতে শুরু করে দেয় তারা।


হয়তো বলে, "জানিস, ও কত বড় চিটার! আমাকে রেখে অমুকের সাথে তমুকের সাথে ফ্লার্ট করে বেড়ায়।" কিংবা হয়তো শুধু মুখের কথাতেই থেমে না গিয়ে, নিজেদের একান্ত গোপন চ্যাট কনভার্সেশনের স্ক্রিনশটও জনে জনে বিলি করতে থাকে। প্রমাণ করে দেয়, তাদের প্রেমিক/প্রেমিকা আসলেই কত খারাপ।

তবে মজার ব্যাপার হলো, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন প্রেমিক-প্রেমিকারা কদিনের মধ্যেই আবার এক হয়ে যায়। পুরনো সব বিভেদ ভুলে গিয়ে, তারা আবার চুটিয়ে প্রেম করতে শুরু করে দেয়। সবখানে ফের তাদেরকে একসাথে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে ট্যাগ করে বিভিন্ন রোমান্টিক ছবি কিংবা স্ট্যাটাসও তারা পোস্ট করতে থাকে।

এই জায়গাটায় এসেই আমার বড় একটা খটকা লাগে। এরাই না মাত্র কিছুদিন আগে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে প্রকাশ্যে একে অন্যের চরিত্রকে উলঙ্গ করে দেয়ার নেশায় উন্মত্ত হয়ে উঠেছিল? এরাই না হেন বাজে কথা নেই যা একে অন্যের নামে বলেনি? তাহলে আজ এরাই কীভাবে আবার প্যাচআপ করে ফেলল, এমন ভাব দেখাতে শুরু করে দিল যে কোনোকালে এদের মাঝে কিছু হয়ইনি!

না, একজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকাকে সকল মান-অভিমান পিছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক শুরু করতে দেখে আমার হিংসা হয় না। বরং ভালোই লাগে। কিন্তু যে জিনিসটা খারাপ লাগে, কিংবা বলা যায় যে জিনিসটা দেখে প্রচণ্ড ঘেন্না হয়, বিবমিষার ভাব হয়, সেটা হলো তাদের সম্পর্কের হিপোক্রেসি। তাদের সম্পর্কের ভিত কি এতটাই ঠুনকো যে, কিছু একটা হলেই তারা আশেপাশের সবার কাছে নিজেদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব-বিবাদের কথা অতিরঞ্জিত করে বলে বেড়াতে পারে! আবার তাদের এই অতিরঞ্জনও কি এতটাই ক্ষণস্থায়ী যে, দুদিন পরেই পুনরায় তারা সেই দুই দেহে এক প্রাণ হয়ে যেতে পারে!

এ ধরনের সম্পর্ক দেখলে বাস্তবিকই আমার গা গুলোয়। এ ধরনের সম্পর্কের সততা নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগে। কেননা সত্যিই কি একটা সম্পর্কে কোনো গভীরতা থাকে, যদি সাময়িক মান-অভিমানের ফলেই ভালোবাসার আবেগ ভুলে গিয়ে সবার কাছে একে অপরের বিরুদ্ধে অকথা-কুকথা ছড়ানোর ইচ্ছা জাগে? তাহলে কি এই প্রেমিক-প্রেমিকাদের মাঝে আদৌ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বলতে কিছু আছে? কিংবা এই প্রেমিক-প্রেমিকারা কি আদৌ নিজেদের সম্পর্ককে খুব একটা মূল্য দেয়, যখন তারা নিজেদের ব্যক্তিগত আলাপচারিতার কথাও জনে জনে উন্মুক্ত করে দিতে দ্বিধাবোধ করে না?

একটা রোমান্টিক সম্পর্ক প্রকাশ্যে হোক, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। প্রেমিক-প্রেমিকা রোজ রোজ ডেটে যাক কী ক্যাম্পাসে সবার সামনে হাত ধরাধরি করে ঘুরে বেড়াক অথবা ফেসবুকে "আই লাভ ইউ বেবি" ক্যাপশন দিয়ে ছবি আপলোড করুক... এমন যা খুশি তারা করুক। এগুলো তাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা। তারা তো প্রেমই করছে, কোনো অপরাধ নয় যে এসব কাজ লুকিয়ে লুকিয়ে করতে হবে। আমার আপত্তি হলো, তাদের যখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ইচ্ছা আছেই, তাহলে একটু কিছু হলেই কেন তারা তাদের ব্যক্তিগত সব হিসাব-নিকাশ সবার সামনে ফাঁস করে দেবে! একটা ওপেন রিলেশনশিপে থাকা মানেই কি তাতে কোনো প্রাইভেসিই থাকবে না? সম্পর্কের উত্থান-পতনের সবটাই সবাইকে দেখিয়ে বেড়াতে হবে?

পুড়োটা পড়ুন

রিভারাইন ১ টন স্মার্ট এসিঃ অন্যান্য ব্র্যান্ডের মডেলের সাথে ওয়ালটন এসির তুলনা!

জুন ২৩, ২০২০





অফিস থেকে শুরু করে নিজের বাসস্থান ‘এয়ার কন্ডিশনার’ তথা এসি যেন একটি অবিচ্ছেদ্য ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স। তবে একটি এসি কেনা মোটেও সহজ কোন কাজ নয়। এসির মত একটি উচ্চ বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার আগে আমাদেরকে কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হয়। আমরা যে এসিটি কিনছি তা আমদের জন্য পর্যাপ্ত কিনা তা মাথায় রাখা অতীব জরুরী। যেমন, ১২০-১৪০ (ঘর ভেদে এখনে কিছুটা তারতম্য হতে পারে) স্কয়ারফিট কিংবা এর চেয়ে ছোটো ঘরের জন্য ১ টনের একটি এসি অনায়াসে কাজ করবে, কিন্তু এর থেকে বেশি হলে আপনাকে ১.৫ টন কিংবা ২ টনে যেতে হবে। এসি কতটা বিদ্যুৎ খরচ করবে তা বিবেচনা করে এসি কেনাও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা আমাদের সবসময় এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত, আমরা যে এসিটি কিনছি তা যেন সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ খরচ করে তাঁর সর্বোচ্চ কুলিং ক্ষমতা দেয়, এতে বিদ্যুৎ অপচয় কম হবে, পাশাপাশি আমাদের কাজটিও হবে।

 তাছাড়াও এসিটি কতটা নয়েস, তথা শব্দ সৃষ্টি করছে এটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসির শব্দ একটা সময় গিয়ে তীব্র বিরক্তির কারন হয়। তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরা যেই এসিটি কিনব তা যেন কম থেকে কম শব্দ উৎপন্ন করে। এর পাশাপাশি আছে, এসি কতটা দ্রুত ঘর ঠান্ডা করছে, এসিটি কি রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করছে ইত্যাদি বিষয়।

 তো এই আর্টিকেলে আমরা বাজারের অন্যসব এসির তুলনায় ওয়ালটন এসি কেমন সেই বিষয়টি তুলনা করব। আমরা এই ক্ষেত্রে ওয়ালটন এর রিভারাইন মডেলের WSI-RIVERINE-12A [Smart] এসির সাথে বেশ কয়েকটি কোম্পানির এসি তুলনা করব।
Brand General Samsung Carrier  Walton 
Model General ASGA-12FNTA - Split AC - 1 Ton Samsung 1 Ton AR12J Carrier 1 Ton Spit AC - 42KHA012FS WSI-RIVERINE-12A [Smart]
Inverter  No Yes No  Yes 
BTU 12000 (1 Ton) 12000 (1 Ton) 12000 (1 Ton) 12000 (1 Ton) 
Input Power 1210 Watt  1348 Watt 1256 Watt 1170 Watt
Compressor Type Rotary Rotary (Inverter) Rotary  Rotary (Inverter)
Refrigerant  R-410A R-22 R-410A R-32
Price  55, 000 61, 000 50, 000 47, 500 
উপরে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাবো যে, জেনারেল এবং কারিয়ার এর এসিতে আমরা ইনভার্টার সুবিধা পাচ্ছিনা, তবে এর চাইতে তুলনামুলক কম দাম তথা ৪৭, ৫০০ টাকায় ওয়ালটনের রিভারাইন মডেলের এসিটিতে আমরা আমরা ইনভার্টার প্রযুক্তি পেয়ে যাচ্ছি।

 নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সার্কিট অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। যদি এসির ইনপুট পাওয়ারের কথা চিন্তা করি, তবে জেনারেল, স্যামসাং এবং ক্যারিয়ারে যথাক্রমে এই মান হল ১২১০, ১৩৪৮ এবং ১২৫৬ ওয়াট। তবে ওয়ালটনের রিভারাইন মডেলের এই এসিতে ইনপুট ভোল্টেজ ১১৭০ ওয়াট।

 সুতরাং তালিকার এসিগুলো থেকে ওয়ালটন এসিই বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তার ঠিক বিপরীতে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে ঘরের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটির কম্প্রেসর নিয়ন্ত্রণ করে শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন নিঃসরণ করবে। আগে সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করা হত, তবে পরিবেশ নিয়ে ভাবে এমন সকল উৎপাদনকারী কোম্পানি  সিএফসি থেকে বের হয়ে এইচএফসি রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করতে শুরু করেছে। আজকের তালিকার দুটি এসি তথা জেনারেল এবং ক্যারিয়ার এর এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-410A রেফ্রিজারেন্ট, এটিও এইচএফসি আর এটির GWP মান ২০৯০।

 অন্যদিকে ওয়ালটনের রিভারাইন মডেলএর এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫। সুতরাং, জেনারেলের তুলনায় ওয়ালটনের এসিটি বেশি পরিবেশবান্ধব। Samsung AR12J মডেলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-22 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। এই R-22 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসের তুলনায় আবার R-410A রেফ্রিজারেন্ট তুলনামুলক বেসি সাশ্রয়ী, তাপ শোষণ ক্ষমতাসম্পন্ন; সর্বোপরি পরিবেশবান্ধব। আবার এই R-410A রেফ্রিজারেন্ট থেকেও বেশি পরিবেশবান্ধব এবং তাপ শোষণ ক্ষমতাসম্পন্ন হচ্ছে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, সুতরাং আপনি বুঝতেই পারছেন আশাকরি।

 তাছাড়াও আইওটি বেজড হওয়ার ফলে ওয়ালটনের এসিটি অ্যাপ দিয়ে যেকোনো স্থান থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এই আর্টিকেলে ১টনের বাইরের দেশের বিভিন্ন এসির দামের কাছাকাছি ওয়ালটনের রিভারাইন মডেলের একটি ১টনের এসি তুলনা করা হয়েছে। তো আশাকরি এই আর্টিকেলটি আপনার পরবর্তী এসি কেনার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও সহায়তা দেবে। আসুন আর দেশের অর্থ বাইরে না পাঠিয়ে মেড ইন বাংলাদেশ পণ্যতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে দেশের সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখি।

পুড়োটা পড়ুন

দারুন অফারের সাথে ইভ্যালিতে Primo NH5: ডুয়াল ক্যামেরা, গ্র্যাডিয়েন্ট ডিজাইন, ৪জি কানেক্টিভিটি

জুন ২২, ২০২০






বাজেটের ভেতর যারা চলনসই একটি স্মার্টফোন কিনতে চাচ্ছেন তাদের ওন্য ওয়ালটন সম্প্রতি নিয়ে এসেছে নতুন একটি বাজেট ওরিয়েন্টেড স্মার্টফোন Primo NH5।  প্রিমো NH সিরিজ বরাবরই বাজেট সিরিজ হিসেবে সকলের কাছে সমাদৃত, এবারও তার ব্যাত্তয় ঘটেনি। Primo NH5 স্মার্টফোনটি ইভ্যালিতে আকর্ষনীয় সব অফারের সাথে মাত্র ৬৬০০ টাকায় পাওয়া যাবে। 

 

একনজরে Primo NH5

  • ৫.৭" ইঞ্চি ডিসপ্লে 
  • ৪জি কানেক্টিভিটি
  • ডুয়াল ক্যামেরা সেটাপ
  • ১ জিবি র্যাম
  • ২৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি
ইভ্যালিতে এই অফারের ভেতর থাকছে ১২ জিবি ফ্রি বাংলালিংক ডেটা। বাংলালিংক সিম ব্যবহার সকলে হ্যান্ডসেটটিতে প্রতিমাসে ১ জিবি করে ১২ মাসে তথা পুরো ১ বছরে ১২ জিবি ডেটা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি পাওয়া যাবে ইভ্যালির সৌজন্যে একটি পোলে টিশার্ট।

স্মার্টফোনটিতে যা থাকছে

প্রিমো এনএইচ৫ স্মার্টফোনটিও একটি ৪জি কানেক্টিভিটি সম্পন্ন স্মার্টফোন, যা সম্প্রতি গ্রামীনফোনের চালু হওয়া ভয়েস অভার এলটিই তথা VoLTE কলিং সাপোর্ট করবে। ডিসপ্লে লাভারদের জন্য, স্মার্টফোনটিতে পাওয়া যাবে ৫.৭ ইঞ্চি বিগ ডিসপ্লে। ফোনটির ফ্রন্ট প্যানেলে ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি শুটারের পাশাপাশি এর ব্যাকে পাওয়া যাবে ৫ মেগাপিক্সেল ও একটি ভিজিএ সেন্সর সম্বলিত ডুয়াল ক্যামেরা মডিউল। স্মার্টফোনটির সিস্টেম ব্যাকআপ দিবে ১ জিবি র্যাম। আর সম্পূর্ণ ডিভাইসকে পাওয়ার ব্যাকআপ দিবে একটি ২৫০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। ফোনটিতে প্রাইমারি সিকিউরিটির জন্য থাকবে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ইভ্যালিতে অফারের সাথে ডিভাইসটি পাওয়া যাবে ৬৬০০ টাকায়। তাই দারুন এই অফারটি থাকতে এখনই লুফে নিন Primo NH5 ডিভাইসটি। ওয়ালটনের সকল স্মার্টফোনের সাথেই পাবেন ১০১ দিনের প্রায়োরিটি সার্ভিস সহ ১ বছরের ফুল সার্ভিস ওয়ারেন্টি। তো আপনার বাজেট যদি ৬০০০ এর আসেপাশে হয়ে থাকে তবে স্মার্টফোনটি নিয়ে ভাবতে পারেন।

পুড়োটা পড়ুন

রিভারাইন ১টন স্মার্ট এসি : কেমন ইনভার্টার প্রযুক্তির নতুন এই স্মার্ট এসি?

জুন ২০, ২০২০


এসি কেনা মোটেও সহজ কোন কাজ নয়। এসিটি কতটা বিদ্যুৎ, ঘর আদৌ কতটা ঠাণ্ডা করবে সব কিছুই ভাবার বিষয়। আপনি ছোটো ঘরের জন্য ইয়া বড় চিলড এসি কিনবেন তাতেও কিন্তু হবেনা খাজনার চাইতে বাজনা বেশি হবে। আপনার ঘর যদি ১২১ থেকে ১৫০ স্কয়ার ফিটের ভেতর হয় তাহলে আপনি অনায়াসেই ১টনের এসি ব্যবহার করে আপনার কাজ চালিয়ে নিতে পারছেন।

আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে রিভারাইন মডেলের নতুন ইনভার্টার প্রযুক্তির ১২০০ বিটিইউ তথা ১ টন ক্যাপাসিটির স্মার্ট এসি WSI-RIVERINE-12A [Smart] । এসিটির বাজার মূল্য ৪৭,৫০০ টাকা।

একনজরে WSI-RIVERINE-12A [Smart]

বিটিইউ ১২০০০ 
কুলিং ক্যাপাসিটি (ওয়াট)৩৫১৭ 
ইনপুট পাওয়ার ১১৭০ 
রেফ্রিজারেন্ট আর-৩২ 
ফিচার টাইমার, স্লিপ, চাইল্ড লক, ওয়াইফাই কন্ট্রোল, এলসিডি ডিসপ্লে, অটো রিস্টার্ট
দাম ৪৭,৫০০  

রিভারাইন [স্মার্ট] হল একটি আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) প্রযুক্তি সুবিধাসম্পন্ন এসি। যার ফলে আপনি এটিকে ওয়াইফাই এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস, যেমন স্মার্টফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনি এই এসিকে ‘গুগল হোম’ এর মতো স্মার্ট হোম কন্ট্রোলার ডিভাইস এর সাথে যুক্ত করেও নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। এর সাথে আসা একটি মোবাইল অ্যাপস এর মাধ্যমে এই এসিটি আপনি স্মার্টফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।

যেহেতু এসিটি আপনার ওয়াইফাই এর সাথে যুক্ত থাকতে সক্ষম, তাই আপনি এটিকে অ্যাপস এর মাধ্যমে এসির কাছে না থাকলেও, অন্য যেকোনো জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। চিরচলিত এসির রিমোর্ট সবসময় হয়ত হাতের কাছে থাকে না, তবে মুঠোফোন সবসময়ই আমাদের সাথে থাকে, একারণে এসি নিয়ন্ত্রন হবে আরও স্মার্ট। আপনি একের অধিক এসি, এই একটি সিঙ্গেল অ্যাপস বা অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। এর পাশাপাশি অ্যাপস থেকে এসির দৈনিক পাওয়ার কন্সামপশন রিপোর্ট, স্ট্যাটিস্টিক রিপোর্ট, পারফর্মেন্স ডাটা ইত্যাদি তথ্য পাবেন।

রিভারাইন একটি ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিটিতে ব্রাসলেস ডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুবই স্মুথ এবং নিঃশব্দের সাথে কাজ করতে সক্ষম। এতে করে রাতে ঘুমানোর সময় এই এসি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এমন কোন যান্ত্রিক শব্দ আসবে না, যা আপনার ঘুমকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই এই এসিটি তার নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করে যাবে একদম নিঃশব্দে পূর্ণ দক্ষতার সাথে।

ঘর কতোটা এবং কত দ্রুত ঠাণ্ডা হবে তা নির্ভর করে এসির ভিতর থাকা ফ্যান এর অপর। এই ফ্যান যত বেশি বড় হবে, এই এসিকে এর ফলে তত বেশি কার্যকর বলা যাবে। এই এসিটিতে থাকছে তুলনামূলক বড় ক্রস ব্লো ফ্যান। আর এর ফলে বাজারের অন্য সব এসির চাইতে এই এসিটির কুলিং স্পিড হবে বেশি তাড়াতাড়ি। আর এই ক্রস ব্লো ফ্যানটি অতো বেশি নয়েসি নয়, খুবই সাইলেন্টলি এর কাজ করে যায়।

এই এসিটি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করতে সক্ষম। অনেক কেবল এসি এক দিকেই বাতাস প্রবাহ করে, যার ফলে যারা কেবল এসির সামনে থাকে তারাই বাতাস পায়, ঘরের কোনায় বা অন্য কোন স্থানে থাকা কেউ বাতাস পায় না। তবে রিভারাইন এসি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করার ফলে সব দিকেই প্রায় সমান শীতল বাতাস প্রবাহিত করা যাবে।

রিভারাইন এসিতে আপনি পাবেন ১৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাছাই করার রেঞ্জ। অনেক এসিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এতে সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পাবেন।

আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আর৪১০এ হল একটি মানসম্মত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, আর ৩২ তার থেকেও পরিবেশসম্মত গ্যাস। আগে আর২২ ব্যবহার করা হত যা ছিল অজোন স্তর জন্য খুবই মারাত্তক।

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন ছাড়বে।R-410A রেফ্রিজারেন্ট এর GWP মান ২০৯০। এবং R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫।

এসি কতোটা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে এই বিষয়টি বিবেচনা করা খুব জরুরী। বিদেশের সাথে বাংলাদেশ এর ইলেক্ট্রিসিটির মাত্রা একই নয়, আর সে এসিগুলো তাদের দেশের জন্য উপযোগী করে বানানো, তো সেই সব এসি আমাদের জন্য ভালো হচ্ছে কিনা তা কেনার আগে বোঝার উপায় থাকে না। আর এই কারনে পরে গিয়ে ফাঁকিতে পড়তে হয়।

এসির মত উচ্চ ওয়াটএর যন্ত্রের ক্ষেত্রে কোইফিসিয়েন্ট অফ পারফর্মেন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি এসির কোইফিসিয়েন্ট অফ পারফর্মেন্স পয়েন্ট যত ভালো হবে, এসিটি ঠিক তত কর্মদক্ষতা সম্পন্ন এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে। আর এই দিক থেকেও রিভারাইন এসিটি সঠিক অবস্থানে আছে।

রিভারাইন [স্মার্ট] এসিটি দেখতে এবং অন্যসব এসির সাথে তুলনা করতে আপনি এখনি চলে যেতে পারেন আপনার কাছের ওয়ালটন প্লাজায়। ওয়ালটন এসিতে রয়েছে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। ওয়ালটন এসির কম্প্রেসরে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আরো পাবেন ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। বর্তমানে সারা দেশে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কর্তৃক পরিচালিত ৭২টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। যেখানে যেকোনো সমস্যায় খুব সহজেই সেবা পেয়ে যাবেন।

পুড়োটা পড়ুন

ওয়ালটন এসি কিনে ফ্রি এসি বা নিশ্চিত ছাড়

জুন ১০, ২০২০


 

দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটনের একটি এয়ার কন্ডিশনার কিনে আরেকটি ফ্রি পেতে পারেন ক্রেতারা। রয়েছে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত মূল্যছাড়। পাশাপাশি গ্রাহকরা পাচ্ছেন ফ্রি ইন্সটলেশন। প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৭ এ এসব সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অনলাইনে দ্রুত সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। এ পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। 

এ কার্যক্রমে ওয়ালটন এসি ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে আরেকটি এসি ফ্রি অথবা নিশ্চিত মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর আগের সিজনগুলোতে ওয়ালটন এসি ক্রেতারা নতুন গাড়ি, নগদ ১ লাখ টাকা, ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রিসহ কোটি কোটি টাকার ক্যাশ ভাউচার, মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ বিভিন্ন ওয়ালটন পণ্য ফ্রি পেয়েছেন। এ উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন, ২০২০) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজন করা হয় ডিক্লারেশন প্রোগ্রামের। যার স্লোগান ‘ওয়ালটন এসি কিনে পেতে পারেন আরেকটি এসি ১০০ শতাংশ ফ্রি’। ৮ জুন শুরু হওয়া এ সুযোগ থাকছে ৩০ জুন, ২০২০ পর্যন্ত। ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, হুমায়ূন কবীর, উদয় হাকিম, মো. তানভীর রহমান, মোহাম্মদ রায়হান ও ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন; ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম, শাহজাদা সেলিম ও শাহ আলম, অপারেটিভ ডিরেক্টর খোন্দকার শাহরিয়ার মুরশিদ, ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মিলটন আহমেদ, সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। 

 দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা বা পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে এয়ার কন্ডিশনার কিনে মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন ক্রেতা। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সিলেক্ট করে ফিরতি এসএমএসে ক্রেতাকে আরেকটি এসি কিংবা ক্যাশব্যাকের পরিমাণ জানিয়ে দেওয়া হবে। ওয়ালটন এসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর রহমান বলেছেন, ‘দেশে নিজস্ব কারখানায় উচ্চ মান বজায় রেখে এসি তৈরি করছে ওয়ালটন। এসির মান উন্নয়নে ওয়ালটনের রয়েছে দক্ষ ও মেধাবী আরঅ্যান্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। যারা প্রতিনিয়ত এসির ডিজাইন এবং মান নিয়ে গবেষণা করছেন। 

ফলে ওয়ালটন এসিতে যুক্ত হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন এসিতে সংযুক্ত হয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী প্রযুক্তি। বুয়েট পরীক্ষায় দেখা গেছে ওয়ালটন এসিতে বিদ্যুৎ খরচ খুবই কম, ঘণ্টায় মাত্র ৩.৭৪ টাকা। এর অর্থ ওয়ালটন ইনভার্টার এসি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎসাশ্রয়ী।’ তিনি জানান, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, উচ্চমান, কম বিদ্যুৎ খরচ, সাশ্রয়ী দাম, সহজ কিস্তি সুবিধা, ফ্রি ইন্সটলেশন, সহজলভ্য ও দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের কারণে সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের এসি। ওয়ালটন এসির আরঅ্যান্ডডি বিভাগের প্রধান সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, ‘স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য ওয়ালটনের রয়েছে আইওটি বেজড ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী স্মার্ট ও ইনভার্টার এসি। 

কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর-৪১০এ এবং আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠান্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। ইভাপোরেটর এবং কন্ডেন্সারে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি। 

যার ফলে ওয়ালটন এসি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী।’ জানা গেছে, ১, ১.৫ এবং ২ টনের স্প্লিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আর বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ (VRF) এবং চিলার (Chiller) এসি। ওয়ালটন এসি সেলস নেটওয়ার্ক ও ডেভেলপমেন্টের সমন্বয়ক খোন্দকার শাহরিয়ার মুরশিদ জানান, দেশজুড়ে তাদের রয়েছে ১৭ হাজারেরও বেশি সেলস আউটলেট। যেখানে যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি বদলে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্টে কেনা যাচ্ছে ওয়ালটনের নতুন এসি। 

এছাড়া, মাত্র ৪ হাজার ৯০০ টাকা ডাউনপেমেন্টে এসি দিচ্ছে ওয়ালটন। রয়েছে ৩৬ মাসের সহজ কিস্তিসহ জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই সুবিধা। তবে এক্সচেঞ্জ এবং কিস্তি সুবিধায় এসি কিনলে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সুবিধা মিলবে না। 

 পাশাপাশি ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ‘ইপ্লাজা ডট ওয়ালটনবিডি ডটকম’ (https://eplaza.waltonbd.com) থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের এসি কিনতে পারছেন। অনলাইন থেকে এসি কেনায় ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সুবিধা উপভোগ করা যাবে। যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটনের দক্ষ টেকনিশিয়ানগণ বিনামূল্যে গ্রাহকদের এসি ইন্সটলেশন করে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি ওয়ালটনের ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে রয়েছে ১০ বছরের গ্যারান্টি। আর নন-ইনভার্টার কম্প্রেসরের গ্যারান্টি ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর করেছে ওয়ালটন। দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছেন।

পুড়োটা পড়ুন