টিকটক ও লাইকি স্টার দের জন্য বেস্ট বাজেট স্মার্টফোন!!

অক্টোবর ১৯, ২০২০


বর্তমান সময়ে ভার্চুয়ালি জনপ্রিয় হতে এবং নিজেকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করার জন্য অন্যতম সামাজিক মাধ্যম টিকটক এবং লাইকি। টিকটক এবং লাইকির মত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রানবন্ত দারুন সব ভিডিও তৈরি এবং প্রকাশের মাধ্যমে, আপনি যেমন বহু মানুষের মাঝে নিজের মেধা প্রকাশ করতে পারেন, তেমনই পাওয়া যায় ছোট খাট খ্যাতি। আর সে কারনে খুবই ভালো কিছু টিকটক কিংবা লাইকি ভিডিও তৈরির জন্য প্রয়োজন নূন্যতম রিকুয়ারমেন্টস সম্বলিত ভালো একটি ফোন। তবে সবসময়ই আমাদের প্রধান সমস্যাটা দাড়ায় বাজেট। আর এই সমস্যাটা দূর করতে আছে, দেশীয় ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটনের দারুন বাজেটে অনবদ্য সব ফোন!

তো অনেক মানুষই থাকেন, যারা টিকটক লাইকি এর মত এসব সামাজিক মাধ্যমে সময় দিতে এবং নিত্যনতুন ভিডিও আপলোড করতে পছন্দ করেন। তবে ভালো ফোনের জন্য হয়ত ঠিকভাবে সেটি সম্ভব হয় না। তাদের জন্য আছে ওয়ালটনের সাশ্রয় মূল্যের স্মার্টফোন সমগ্রের মধ্যে অন্যতম নতুন একটি ফোন প্রিমো এইচ ৯ । তো বাজেটের মধ্যে খুবি অনবদ্য একটি স্মার্টফোন হয়ে হয়ত আপনার সামনের দিনের টিকটক কিংবা লাইকি স্টার হওয়ার পেছনের সঙ্গী হবে দারুন এই স্মার্টফোনটি।

এক নজরে প্রিমো এইচ৯ স্মার্টফোনটি,

  • ১৯ঃ৯ রেশিও, ৬.১ ইঞ্চি ইউ-নচ সমৃদ্ধ ডিসপ্লে
  • ১.৬ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর
  • PowerVR Rouge GE8322 জিপিইউ
  • ৩ জিবি ডিডিআর৪ র‍্যাম এবং ৩২ জিবি রম, ১২৮ জিবি পর্যন্ত এসডি কার্ড সাপোর্ট
  • ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ২ মেগাপিক্সেল সেন্সর নিয়ে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা মডিউল
  • ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ৩৫০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
  • ৭৮৯৯ টাকা

একজন টিকটক কিংবা লাইকি স্টারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যে ডিভাইসটি তিনি ব্যবহার করছেন কন্টেন্ট শুট করার জন্য তার ক্যামেরা তুলনামুলক ভালো হওয়া। বাজেট ফোনের ক্ষেত্রে আমরা প্রায় সময়েই দেখি ক্যামেরা নিয়ে কম্প্রোমাইজ করা হয়, তবে নব্য টিকটক কিংবা লাইকি স্টারদের প্রিমো এইচ৯ স্মার্টফোনটির সাথে ক্যামেরা নিয়ে কোন চিন্তাই করতে হবেনা। প্রিমো এইচ৯ এর রিয়ার প্যানেলে থাকছে ১৩+২ মেগাপিক্সেলের সেন্সর নিয়ে একটি ডুয়াল ক্যামেরা মডিউল আর সামনে ফ্রন্ট ক্যামেরা হিসেবে থাকছে একটি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর।

ডিভাইসটির রিয়ার ক্যামেরা মডিউল ১০৮০পি রেজুলেশনে ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম। পাশাপাশি এতে থাকছে বিউটি ভিডিও মোড, যা কিনা টিকটক এবং লাইকি স্টারদের খুব কাজে দিবে। তো দারুন বাজেটে টিকটক এবং লাইকি স্টারদের জন্য প্রিমো এইচ৯ স্মার্টফোনে ক্যামেরা নিয়ে থাকছে ,নো কম্প্রোমাইজ!

টিকটক এবং লাইকি স্টারদের অবশ্যই দরকার তুলনামূলক ভালো হার্ডওয়্যার, কেননা তাদের ভিডিও রেকর্ড থেকে শুরু করে এডিটও করতে হয় একই ডিভাইসে। আর তাই অবশ্যই ডিভাইসটির হার্ডওয়্যারও তুলনামূলক এই দুটি প্লাটফর্মের জন্য কম্প্যাটিবল হওয়া জরুরি। আর সেই দিক থেকে প্রিমো এইচ৯ নিয়ে খুশি থাকবেন নব্য কিংবা ভবিষ্যৎ টিকটক লাইকি স্টার’রা। কেননা ১.৬ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসরের পাশাপাশি এই স্মার্টফোনটিতে পাবেন ৩ জিবি ডিডিআর৪ র‍্যাম। সুতরাং যেখানে সেখানে টানা কয়েকটি ভিডিও শুট করার পর, নিমিষেই সেই ভিডিও এর এডিটিংও হবে একদম পানির মত স্মুথ!

৩২ জিবি ইন্টারনাল মেমরি এর পাশাপাশি এই স্মার্টরফোনটিতে আপনি অতিরিক্ত ১২৮ জিবি পর্যন্ত এক্সট্রা মাইক্রো এসডি কার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন! সুতরাং আপনাদের দারুন দারুন সকল ভিডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ সকল ডেটা সংরক্ষনের জন্য স্টোরেজ পাচ্ছেন অফুরন্ত!

ডিভাইসটি যথেষ্ট লাইট, এর ওজন মাত্র ১৬৭ গ্রাম ব্যাটারি সহ, সুতরাং আপনার পকেটে কিংবা হাতে খুব অনায়াসেই বহন করে নিয়ে যেখানে সেখানে চলতে পারবেন। আর এই ডিভাইসটিকে ব্যাক আপ দিবে একটি ৩৫০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। ফুল চার্জ দিয়ে সারাদিনে অনায়াসে ১০-১২ টা টিকটক ভিডিও শুট করে আপনার দৈনিক লক্ষ্যমাত্রা পুরন করতে পারবেন খুব সহজে, সারাদিন ভিডিও রেকর্ড এবং এডিট করে টিকটক ও লাইকিতে আপলোড করবেন ধুমসে!

৭৮৯৯ টাকার দারুন এই স্মার্টফোনটি টিকটক এবং লাইকি কেন্দ্রিক ব্যবহারকারী ছাড়াও, এই বাজেট রেঞ্জে যারা ভালো স্মার্টফোন খুঁজছেন তাদের জন্যও একদম মানানসই। স্মার্টফোনটির রিভিউ দেখে আসতে পারেন এই লিঙ্ক থেকে। বাজেটের মধ্যে বেশি ব্যাটারি লাইফ এবং স্টেবল পারফরমেন্স যাদের দরকার, আমি বলব তাঁদের জন্য জন্য এই প্রিমো এইচ৯ স্মার্টফোনটি সেরা।

পুড়োটা পড়ুন

৬ জিবি র‍্যাম এবং ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার স্মার্টফোন প্রিমো এস৭ প্রো!

অক্টোবর ০১, ২০২০

ওয়ালটনের হাইয়েন্ড স্পেসিফিকেশনের দারুন একটি স্মার্টফোন প্রিমো এস৭ প্রো। ওয়ারলেস চার্জিং, ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৬ জিবি র‍্যাম, ১২৮ জিবি স্টোরেজ, হেলিও পি৭০ ইত্যাদিসহ স্মার্টফোনটির আছে আরো বেশকিছু আকর্ষণীয় দিক।

একনজরে প্রিমো এস৭ প্রো

  • ৬.৩ ইঞ্চি এফএইচডি প্লাস আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল
  • হেলিও পি৭০ চিপসেট
  • এনার্জি এফিসিয়েন্ট ৬ জিবি ডিডিআর৪এক্স র‍্যাম
  • ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ
  • ২৫৬ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট
  • ৪৮+৮+২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ
  • ১০৮ আল্ট্রাপিক্সেল মোড
  • ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক
  • ৩৯৫০ এমএএইচ ব্যাটারি
  • দামঃ ১৯৯৯৯ টাকা

স্মার্টফোনটি তৈরি করা হয়েছেউন্নত মানের পিপিএমএ ম্যাটেরিয়াল দিয়ে, যার উদাহরন এর রিয়ার প্যানেলের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, কেননা স্মার্টফোনটিতে হালকা আলো পরলেই এর ব্যাক প্যানেল যে সুন্দর রেইনবো ইফেক্ট দেয়, তা এই বাজেটের স্মার্টফোন হিসেবে প্রিমিয়াম।

স্মার্টফোনটির মেইন হার্ডওয়্যার ইউনিটকে পাওয়ার দিচ্ছে একটি ফ্লাগশিপ গ্রেড প্রসেসর। আর এটি হচ্ছে মিডিয়াটেক পি৭০ । মিডিয়াটেক পি৭০, ১২ ন্যানোমিটার ফিনটেক প্রযুক্তিতে তৈরি ২.১ গিগাহার্জ বাজস্পিড সম্বলিত করটেক্স এ৭৩/ এ৫৩ ভিত্তিক অক্টাকোর প্রসেসর। আর এই সিপিইউ ইউনিট এর সাথে আপনি জিপিউ তথা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে পাবেন মালি জি-৭২ এমপি৩ জিপিইউ। আর এই চিপসেটে ট্রিপল কোর আইএসপি এবং ডুয়াল কোর এপিইউ থাকার ফলে একদম Raw এইচ-ডি-আর ছবিগুলো এই ক্যামেরার মাধ্যমে তুলতে পারবেন কোনরকম কোয়ালিটির লস ছাড়াই। আর এটি ১২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি বলে, এটি ১৪ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি প্রসেসর এর চাইতে ১৫ শতাংশ বেশি পাওয়ার এফিসিয়েন্ট।

স্মার্টফোনটির সিস্টেম ব্যকআপ দেবার জন্য এতে থাকছে ৬ জিবি ডিডিআর৪এক্স র‍্যাম। র‍্যাম এর পরে, ইন্টারনাল স্টোরেজ পাবেন ১২৮ জিবি! এমনকি আপনি এতে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সট্রা মাইক্রো এসডি কার্ডও লাগাতে পারবেন।

স্মার্টফোনটির আরেকটি দারুন আকর্ষণ এর ক্যামেরা সেকশন। অবশ্যই প্রিমো এস৭ প্রো তে পাবেন একটি ট্রিপল ক্যামেরা সেটাপ, যার মধ্যে একটি মেইন সেন্সর ৪৮ মেগাপিক্সেল । বাকি দুটি একটি ৮ মেগাপিক্সেল অয়াইড এঙ্গেল সেন্সর এবং একটি ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর। প্রিমো এস৭ প্রোতে থাকছে F/2.0 এপারচার সমৃদ্ধ ফ্রন্ট ১৬ মেগাপিক্সেল সিঙ্গেল ক্যামেরা সেন্সর।

স্মার্টফোনটির পুরো রিভিউ ভিডিও দেখে আসতে পারেন এই ঠিকানা থেকে।

পুড়োটা পড়ুন

১০ হাজার টাকা বাজেটের ভেতর ওয়ালটনের ৩ টি বাজার সেরা স্মার্টফোন!

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০


বাজারে নিত্যনতুন প্রযুক্তির সকল বাজেট স্মার্টফোন আনার জন্য এক কথায় সেরা দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। আমরা যারা অনেকে খুবই টাইট বাজেটে ভালো কোন স্মার্টফোন পাবো কিনা বলে চিন্তায় থাকি, তাদের জন্য ওয়ালটনের আছে বেশ কিছু অনবদ্য স্মার্টফোন। আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব ১০ হাজারের ভেতর দারুন কিছু মডেলের স্মার্টফোন, যা এই বাজেটে হতে পারে আপনার জন্য একেকটি সেরা স্মার্টফোন। যেখানে দেশের একটি বিপুল সংখ্যক মানুষের বাজেট ১০ হাজার টাকার নিচে, সেখানে ওয়ালটন বিশেষ করে ঠিক সেইসকল গ্রাহকদের জন্যই দারুন দারুন সকল বাজেট স্মার্টফোন প্রতিনিয়ত নিয়ে আসে। আজকের ১০ হাজারের বাজেটে বাজার সেরা স্মার্টফোনের তালিকায় থাকবে, প্রিমো এইচ৯, প্রিমো এইচএম এবং প্রিমো এইচ৯ প্রো স্মার্টফোন।

প্রিমো এইচ৯

১৯ঃ৯ রেশিও সমৃদ্ধ ৬.১ ইঞ্চি এইচডি+ আইপিএস ডিসপ্লে নিয়ে ৮৬৯০ টাকায় ওয়ালটনের দারুন একটি স্মার্টফোন প্রিমো এইচ৯। স্মার্টফোনটির হার্ডওয়্যার সেকশনে পাওয়া যাবে ১.৬ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর, যার সাথে থাকছে পাওয়ারভিআর জিই৮৩২২ জিপিইউ। সাথে থাকছে ডিডিআর৪ ‘৩ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি রম। বাজেট স্মার্টফোন হওয়া সত্ত্বেও স্মার্টফোনটির রিয়ার প্যানেলে আপনি দারুন শাইনি এবং গ্র্যাডিয়েন্ট ফিনিস পাবেন। স্মার্টফোনটি ৪ টি কালারে বাজারে পাওয়া যাবে, আর প্রতিটি কালারই অনেক আকর্ষণীয়।

একনজরে প্রিমো এইচ৯,

  • ১৯ঃ৯ রেশিও, ৬.১ ইঞ্চি ইউ-নচ সমৃদ্ধ ডিসপ্লে
  • ১.৬ গিগাহার্জ অক্টাকোর প্রসেসর
  • PowerVR Rouge GE8322 জিপিইউ
  • ৩ জিবি ডিডিআর৪ র‍্যাম এবং ৩২ জিবি রম, ১২৮ জিবি পর্যন্ত এসডি কার্ড সাপোর্ট
  • ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ২ মেগাপিক্সেল সেন্সর নিয়ে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা মডিউল
  • ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ৩৫০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি

প্রিমো এইচ৯ স্মার্টফোনটির রিভিউ

প্রিমো এইচএম৫

মাত্র ৮৫৯৯ টাকায় বাজারকে ব্যাপক গরম করে রেখেছে ওয়ালটন এর নতুন স্মার্টফোন প্রিমো এইচএম৫। এইচএম সিরিজের নতুন এই ফোন এইচএম৫ এর অন্যতম আকর্ষণ এর ৩ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি রম, ৪৯০০ এমএএইচ ব্যাটারি, হেলিও এ২০ চিপসেট সহ আরো অনেক কিছু। বাজেট ডিভাইস হলেও প্রিমো এইচএম৫ এর ডিজাইন দারুন। স্মার্টফোনটি একটি প্লাস্টিক ইউনি-বডি ডিজাইনে তৈরি। প্রিমো এইচএম৫ ডিভাইসকে হার্ডওয়্যার এর দিক দিয়ে ব্যাকআপ দিবে মিডিয়াটেক এর ১২ ন্যনোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিও এ২০ চিপসেট। এটি একটি ১.৮ গিগাহার্জ ক্লক -স্পিডের কোয়াড কোর সিপিইউ।

একনজরে প্রিমো এইচএম৫,

  • ৬.১ ইঞ্চি আইপিএস প্যানেল ডিসপ্লে
  • ৩ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি রম
  • ১৩ মেগাপিক্সেলের সনি প্রাইমারি সেন্সর সহ ডুয়াল ক্যামেরা সেটাপ
  • ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট সেলফি ক্যামেরা
  • মিডিয়াটেক হেলিও এ২০ চিপসেট

প্রিমো এইচএম৫ স্মার্টফোনটির রিভিউ

প্রিমো এইচ৯ প্রো

এইচএম৫ স্মার্টফোনের পর ওয়ালটন বাজারে নিয়ে প্রিমো এইচ৯ প্রো এর সাক্সেসর হিসেবে নিয়ে আসে আরেকটি বাজেট স্মার্টফোন প্রিমো এইচ৯ প্রো। এর দাম ৯৪৯৯ টাকা। প্রিমো এইচ৯ এর সিকুয়াল এই এইচ৯ প্রো স্মার্টফোনটির দারুন কিছু স্পেক্সের ভেতর আপনি দেখতে পাবেন; ৬৪ জিবি রম, ৪ জিবি র‍্যাম, ১.৮ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর, ট্রিপল ক্যামেরা সেটাপ সহ আরো অনেককিছু। প্রিমো এইচ৯ প্রো স্মার্টফোনটিতে পাচ্ছেন মিডিয়াটেক এর ১২ ন্যনোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিও এ২০ চিপসেট। এটি একটি ১.৮ গিগাহার্জ ক্লক স্পীডের কোয়াড কোর সিপিইউ। এনটুটু বেঞ্চমার্কে এর স্কোর এসেছে ৮১১৯২।

একনজরে প্রিমো এইচ৯ প্রো,

  • ৪জি ভোএলটিই নেটওয়ার্ক সাপোর্ট
  • ৪ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি রম (২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সটারনাল মেমরি সাপোর্ট)
  • হেলিও এ২০ চিপসেট
  • ৬.১ ইঞ্চি ১৯ঃ৯ রেসিও আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল
  • ট্রিপল ক্যামেরা সেটাপ
  • ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর
  • ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি

প্রিমো এইচ৯ প্রো স্মার্টফোনটির রিভিউ

তো আপনার বাজেট যদি ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়, তাহলে উপরের তালিকার ৩ টি স্মার্টফোন থেকে আপনার সুবিধামত বাজেটে যেকোনো একটি পছন্দ করে নিতে পারেন। ওয়ালটনের প্রতিটি স্মার্টফোনের সাথেই আপনি পাবেন ১ বছরের বিক্রয়ত্তর ওয়ারেন্টি এবং ৭ দিনের রিপ্লেস্মেন্ট গ্যারান্টি। স্মার্টফোনগুলো সামনাসামনি দেখতে ঘুরে আসতে পারেন আপনার নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজা কিংবা ওয়ালটন স্মার্টজোনে।

পুড়োটা পড়ুন

ওয়ালটনের ২ টন ক্যাপাসিটির ক্রিস্টালাইন এসি অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় কেমন!

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০

 


গরমের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে সবচেয়ে কার্যকর একটি ইলেকট্রনিকস এপ্লায়েন্স হল এয়ার কন্ডিশনার তথা এসি। গরম থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বাড়িতে এসি লাগানোর কথা ভাবেন। কিন্তু কেনার সময় একাধিক লোভনীয় বিজ্ঞাপণে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। নানা রকম বিজ্ঞাপণ এবং নানাকিছুর প্রলোভনে পরে আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিসটি কেনার ক্ষেত্রে অনেক ভুল করে ফেলি। অনেক মানুষ আবার কেবল ব্র্যান্ডমুগ্ধতা থেকে এসি কিনে বসেন। অনেক বিষয় বিবেচনা না করে এসি কেনার ফলে দিনশেষে ঠকতে হয়, পরে এতো দামি একটি বিনিয়োগকে ফিরিয়েও নেয়া যায় না।

এই আর্টিকেলে দেশীয় ইলেক্ট্রনিকস প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন সিরিজের নতুন দুই টনের স্মার্ট এসির সাথে, বাজারে থাকা অন্যকিছু দুই টন ক্যাপাসিটির এসির তুলনা করব। এখানে আমরা এসিরগুলোর কাজ হিসেবে দামের সাশ্রয়, এসির সুযোগ-সুবিধা, কতোটা পরিবেশ বান্ধব এসব বিষয় বিবেচনায় রাখব। সর্বোপরি কোন এসিটিতে টাকা খরচ করলে আমাদের কষ্টের অর্থ সাশ্রয় হবে, তা অনুধাবন করব।

আপনার ঘর যদি ১৮০ থেকে ২৪০ স্কয়ার ফিটের মধ্যে হয়, তবে আপনার জন্য ২ টন তথা ২৪০০০ বিটিইউ ক্যাপাসিটির এসি প্রয়োজন। অনেকে আবার ১টন বা ২টন বলতে এসির সাইজকে বুঝি; তবে ১ টন মানে ১২০০০ বিটিইউ/আওয়ার একইভাবে ২ টন মানে ২৪০০০ বিটিইউ/আওয়ার। ২ টনের এসি প্রতি ঘণ্টায় ঘর থেকে ২৪০০০ বিটিইউ তাপ শোষণ করতে পারে। সেইহিসেবে যত বেশি টন ; তত বেশি তাপ শোষণ ক্ষমতা। বাইরের এসি আমাদের দেশের আবহাওয়ার উপর বিবেচনা করে একটি এসি সঠিক পরিমান তাপ শোষণ করতে পারবে কিনা, সেই বিষয়টিও এসি কেনার পূর্বে বিবেচনা করে নিতে হবে।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে শার্প, প্যানাসনিক এবং জেনারেলের ২ টন তথা ২৪০০০ বিটিইউ এর এসির সাথে ওয়ালটনের ২ টন ক্যাপাসিটিরক্রিস্টালাইনমডেলের নতুন স্মার্ট এসিটির তুলনা করব।

অন্যান্য ব্র্যান্ডের মডেলগুলো 
প্যানাসনিক শার্প জেনারেল
ওয়ালটনের মডেল 

AH-XP24SHVE মডেলটি শার্পের ২টন ক্যাপাসিটির একটি স্প্লিট ইনভার্টার এসি। শার্প তাদের এই এসিতে ব্যবহার করেছে জে-টেক ইনভার্টার প্রযুক্তি, আর এটি অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি। বাংলাদেশে এসিটিতে পাওয়া যাবে ২ বছরের অফিসিয়াল সেলার ওয়ারেন্টি। আর ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসিটি পাওয়া যাবে মাত্র ৮৪ হাজার ৫০০ টাকায়।

CU-US24SKD মডেলটি প্যানাসনিকের ২টন তথা ২৪০০০ বিটিইউ ক্যাপাসিটির স্প্লিট এসি। এই এসিটিও ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। বাংলাদেশে ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসিটি পাওয়া যাবে ৯৬ হাজার টাকায়। এসিটিতে পাওয়া যাবে ২ বছরের কম্প্রেসর এবং ১ বছরের সার্ভিস এবং স্পেয়ার পার্টস গ্যারান্টি।

AOGR24AAT জেনারেলের ২ টন ক্যাপাসিটির স্প্লিট এসি। তবে এই এসিটি ইনভার্টার প্রযুক্তির নয়। এই এসিটির বাজার মূল্য বাংলাদেশে ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা। বাংলাদেশে এসিটি কিনলে ২ বছরের স্পেয়ার পার্টস এবং কম্প্রেসর এবং ৩ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।

তো আজকে যে এসিটি তুলনা করছি সেই দুই টন ক্যাপাসিটির WSI-KRYSTALINE-24C [Smart] স্প্লিট এসির দাম ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা। এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আর-৪১০এ রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। এসিটি আইওটি বেইজড, সেকারনে ঘরে বসে এমনকি পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে একে একটি মোবাইল অ্যাপ দ্বারাই নিয়ন্ত্রন করা যাবে। শার্পের জে-টেক ইনভার্টার প্রযুক্তির মত ওয়ালটনেরক্রিস্টালাইনসিরিজের এই এসিতে পাওয়া যাবে টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তি। বাংলাদেশে দুই টন ক্যাপাসিটির এই এসিটি কিনলে এর কমপ্রেসরে ১০ বছর এবং সার্ভিসে ৩ বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে, যা তালিকার অন্যসকল ব্র্যান্ডের চাইতে বেশি!

আলোচিত সকল ব্র্যান্ডের এসিগুলোর ভেতর কেবল ওয়ালটন তাদের এসিতে আইওটি সুবিধা প্রদান করছে। যার মানে কেবল এসির সাথে থাকা আইআর রিমোট নয়, ওয়ালটনের এই এসিটি নিয়ন্ত্রন করা যাবে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত মোবাইল অ্যাপ দিয়ে, তাও আবার পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে।
বর্তমান সময়ে একটি মানসম্মত এসি কেনার ক্ষেত্রে ইনভার্টার প্রযুক্তি ব্যাতিত এসি কেনার কোনো বিকল্প একদম নেই বললেই চলে। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। আজকের তালিকায় ওয়ালটন, শার্প এবং প্যানাসনিক এসিতে ইনভার্টার প্রযুক্তিতো ব্যবহার করার হয়েছেই, তাও এখানে কিছুতে অত্যাধুনিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন ওয়ালটনে টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তি, একইভাবে শার্পে জে-টেক ইনভার্টার। অন্যদিকে যদি আমরা জেনারেলের দিকে তাকাই, তবে সেটি একটি নন-ইনভার্টার এসি।

বৈশ্বিক পরিবর্তনের আজকের দিনে আমাদেরকে গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়েও ভাবতে হবে, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনায় রাখা অতীব জরুরি। বাতাসে তাপ তৈরির দিক দিয়ে 'আর-৪১০এ' এর চাইতে 'আর-২২' এগিয়ে। তাছাড়াও 'আর-৪১০এ' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস 'আর-২২' এর চাইতে বেশি বিদ্যুত সাশ্রয়ীও বটে! 'আর-২২' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস সমৃদ্ধ এসিতে সিস্টেম ওভারহিটিং এর সমস্যাও বেশি হয়। শার্প, প্যানাসনিক এবং আমাদের দেশীয় ওয়ালটনে যুগোপযোগী 'আর-৪১০এ' রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হলেও, জেনারেল এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে 'আর-২২' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস।

যদি এখন আমরা এসিগুলোর দামের দিকে তাকাই, তবে জেনারেলের ২ টন এসির বাজার মূল্য সবচেয়ে বেশি, ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা। প্যানাসনিক ৯৬ হাজার টাকা এবং শার্পের দাম ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে ওয়ালটনেরক্রিস্টালাইন২ টন এসির দাম পরছে অন্যসবের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ে, মাত্র ৭৭ হাজার ৪০০ টাকা। সব দিক বিবেচনায় ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন সিরিজের দুই টনের এই ইনভার্টার এসিটি দারুন ভাবে বাকিসব ব্র্যান্ডের এসির সাথে টেক্কা দিতে সক্ষম, আর সেই হিসেবে তালিকার অন্য এসিগুলোর চাইতে এটি অনেক বেশি সাশ্রয়ও হচ্ছে। আর ওয়ালটন এসির জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে বিক্রয়ত্তর সার্ভিসিং সেবাও দিচ্ছে। যদি আদৌ কোন সমস্যার সম্মুখীন হন কেউ, যা অন্যসব ব্র্যান্ডের তুলনায় অনেক বেশি, আর এটি ওয়ালটনে আস্থা রাখার জন্য অন্যতম একটি কারন।

অন্যান্য এসির কমপ্রেসর বাইরের দেশে বিদ্যুত এবং তাদের আবহাওয়ার জন্য তৈরি করা হলেও, ওয়ালটন এসির কমপ্রেসর বিশেষায়িতভাবে বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং আমাদের দেশের বিদ্যুৎ এর হিসেবে তৈরি করা। এসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই কম্পোনেন্ট কমপ্রেসর, অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় অন্তত আমাদের দেশে ওয়ালটনের কমপ্রেসরই বেশি টেকসই এবং বিদ্যুত সাশ্রয়ী হবে, এটা বাস্তবিক। সুতরাং পরিশেষে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, দেশের টাকা বাইরে না পাঠিয়ে অত্যান্ত উপকারী এই ইলেকট্রনিকস অ্যাপ্লায়েন্স কেনার ক্ষেত্রে সাশ্রয়ের সঙ্গী হয়ে আমরা ওয়ালটন এসিকেই পছন্দ করতে পারি।

পুড়োটা পড়ুন

দেড় টনের ইনভার্টার প্রযুক্তির ওয়ালটনের 'সুপারসেভার' রিভারাইন এসি!

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

তীব্র গরমে প্রায় সবারই বাসায় কিংবা প্রতিষ্ঠানে এসি লাগানোর চিন্তা করেন, তবে এসি তথা এয়ার কন্ডিশনারের মত একটি উচ্চ বৈদ্যুতিক ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স কেনার ক্ষেত্রে আসলে সঠিকটা বাছাই করাও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের হয়ে ওঠে। বেশির ক্ষেত্রেই আমরা কোন ভুল প্ররোচনায় এসে কেবল ব্র্যান্ড মুগ্ধতায় পরে এমন একটি এসি কিনে ফেলি, দামের সাথে যার কার্যক্ষমতা মোটেও আমাদের উপযুক্ত না!

একনজরে  WSI-RIVERINE (Supersaver)-18C

  • বিটিইউঃ ১৮০০০
  • ইনপুট পাওয়ারঃ ১৩১৮
  • রেফ্রিজারেন্টঃ আর-৩২
  • কম্প্রেসর ধরনঃ রোটারি-ইনভার্টার
  • দামঃ ৬৪ হাজার ৯০০

ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিটিতে ব্রাসলেস ডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুবই স্মুথ এবং নিঃশব্দের সাথে কাজ করতে সক্ষম। এতে করে রাতে ঘুমানোর সময় এই এসি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এমন কোন যান্ত্রিক শব্দ আসবে না, যা আপনার ঘুমকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই এই এসিটি তার নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করে যাবে একদম নিঃশব্দে পূর্ণ দক্ষতার সাথে। আর ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির ফলে কম্প্রেসর এর নিয়ন্ত্রণ এই এসিটিতে অনেক পরিকল্পিত, যা এসিটিকে অন্যসব ইনভার্টার এসির থেকে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করেছে।

একটি এসির কার্যক্ষমতা কতটা ভালো এবং সেটি বাতাসে ঠিক কি পরিমাণে তাপ ছড়াচ্ছে তা নিরূপণের অনেকগুলো বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে এসির COP তথা কো-ইফিসিয়েন্ট অফ পাওয়ার। COP রেটিং যত বেশি হবে সেই এসির পারফর্মেন্স তত বেশি ধরা হবে, COP রেটিং পয়েন্ট মূলত ১.৫ থেকে ৪ এর ভেতর হয়। মূলত COP রেটিং ৩ এর ওপর হলে সেই এসির কার্যক্ষমতা তুলনামূলক ভালো ধরা হয়। আর এই এসির COP রেটিং পয়েন্ট ৪। তাছাড়াও দীর্ঘস্থায়ী কমপ্রেসর লাইফ, সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ খরচ, উন্নত মোটর সবকিছু মিলিয়ে এসিটি ৭০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আর৪১০এ হল একটি মানসম্মত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, আর ৩২ তার থেকেও পরিবেশসম্মত গ্যাস। আগে আর২২ ব্যবহার করা হত যা ছিল অজোন স্তর জন্য খুবই মারাত্তক।

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন ছাড়বে। R-410A রেফ্রিজারেন্ট এর GWP মান ২০৯০। এবং R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫।

'রিভারাইন সুপারসেভার' এসিটি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করতে সক্ষম। বহু এসি শুধু সিঙ্গেল ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করে, যার ফলে যারা কেবল এসির সামনে অবস্থান করে তারাই বাতাস পায়, ঘরের কোনায় কিংবা অন্য কোন স্থানে থাকা ব্যক্তি বাতাস পায় না। তবে 'রিভারাইন সুপারসেভার' এসির মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করার সক্ষমতার ফলে সব দিকেই সমানভাবে শীতল বাতাস প্রবাহিত হবে।

'রিভারাইন সুপারসেভার' এসিতে আপনি পাবেন ১৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত টেম্পারেচার মোড। বাজারের বহু এসিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এতে সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পাবেন।

ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি, ৪ স্তরে নানা দিক থেকে অনেক বেশি কার্যক্ষম বলে এসিটি এমনিতেও ৭০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। আর তাছাড়াও এসিটির কমপ্রেসর বিশেষ করে আমাদের দেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি বলে আমাদের দেশের সাপেক্ষে তা অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে অন্যান্য বাইরের এসির তুলনায়।

এসিটি দেখতে অবশ্যই আপনার আসেপাশের নিকটস্থ ওয়ালটন ডিলার শো-রুম অথবা ওয়ালটন প্লাজায় চলে যেতে পারেন। এসিতে থাকছে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। এসির কম্প্রেসরে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আরো পাবেন ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। বর্তমানে সারা দেশে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কর্তৃক পরিচালিত ৭২টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। যেখানে যেকোনো সমস্যায় খুব সহজেই সেবা পেয়ে যাবেন।

পুড়োটা পড়ুন

সাশ্রয়, কার্যক্ষমতা, সুবিধা ও দক্ষতা সব বিচারে ক্রিস্টালাইন এসি কতটা এগিয়ে?

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

 


অসহনীয় গরম থেকে বাঁচতে উচ্চবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত সকলেই ছুটছেন এয়ার কন্ডিশনার তথা এসির দিকে। তবে একটি এসি কেনা মোটেও সহজ কোন কাজ নয়। এসির মত একটি উচ্চ বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার আগে আমাদেরকে কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

আমরা যে এসিটি কিনছি তা আমদের জন্য পর্যাপ্ত কিনা তা মাথায় রাখা অতীব জরুরী। যেমন, ১৪০ স্কয়ারফিট কিংবা এর চেয়ে ছোটো ঘরের জন্য ১ টনের একটি এসি অনায়াসে কাজ করবে, কিন্তু এর থেকে বেশি হলে আপনাকে ১.৫ টন কিংবা ২ টনে যেতে হবে। আপনার ঘর যদি ১৮০ থেকে ২৪০ স্কয়ার ফিটের মধ্যে হয়, তবে আপনার জন্য ২ টন তথা ২৪০০০ বিটিইউ ক্যাপাসিটির এসি প্রয়োজন।

অনেকে আবার ১টন বা ২টন বলতে এসির সাইজকে বুঝি; তবে ১ টন মানে ১২০০০ বিটিইউ/আওয়ার একইভাবে ২ টন মানে ২৪০০০ বিটিইউ/আওয়ার। ২ টনের এসি প্রতি ঘণ্টায় ঘর থেকে ২৪০০০ বিটিইউ তাপ শোষণ করতে পারে। সেইহিসেবে যত বেশি টন ; তত বেশি তাপ শোষণ ক্ষমতা। বাইরের এসি আমাদের দেশের আবহাওয়ার উপর বিবেচনা করে একটি এসি সঠিক পরিমান তাপ শোষণ করতে পারবে কিনা, সেই বিষয়টিও এসি কেনার পূর্বে বিবেচনা করে নিতে হবে।

এসি কতটা বিদ্যুৎ খরচ করবে তা বিবেচনা করে এসি কেনাও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা আমাদের সবসময় এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত, আমরা যে এসিটি কিনছি তা যেন সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ খরচ করে তাঁর সর্বোচ্চ কুলিং ক্ষমতা দেয়, এতে বিদ্যুৎ অপচয় কম হবে, পাশাপাশি আমাদের কাজটিও হবে।

তাছাড়াও এসিটি কতটা নয়েস, তথা শব্দ সৃষ্টি করছে এটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসির শব্দ একটা সময় গিয়ে তীব্র বিরক্তির কারন হয়। তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরা যেই এসিটি কিনব তা যেন কম থেকে কম শব্দ উৎপন্ন করে। এর পাশাপাশি আছে, এসি কতটা দ্রুত ঘর ঠান্ডা করছে, এসিটি কি রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করছে ইত্যাদি বিষয়।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে ক্যারিয়ার, সামসাং এবং জেনারেলের এসির সাথে ওয়ালটনের ১ টন ক্যাপাসিটির ক্রিস্টালাইন মডেলের নতুন এসিটির তুলনা করব।

BrandGeneralSamsungCarrier Walton 
ModelGeneral ASGA-12FNTA - Split AC - 1 TonSamsung 1 Ton AR12JCarrier 1 Ton Spit AC - 42KHA012FSWSI-KRYSTALINE-12A [Smart Defender]
Inverter NoYesNo Yes 
BTU12000 (1 Ton)12000 (1 Ton)12000 (1 Ton)12000 (1 Ton) 
Input Power1210 Watt 1348 Watt1256 Watt1170 Watt
Compressor TypeRotaryRotary (Inverter)Rotary Rotary (Inverter)
Refrigerant R-410AR-22R-410AR-32
Price 55,00061,00050,00048,000 

উপরে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাবো যে, জেনারেল এবং কারিয়ার এর এসিতে আমরা ইনভার্টার সুবিধা পাচ্ছিনা, তবে এর চাইতে তুলনামুলক কম দাম তথা ৪৮০০০ টাকায় ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন মডেলের এসিটিতে আমরা আমরা ইনভার্টার প্রযুক্তি পেয়ে যাচ্ছি। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সার্কিট অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়।

এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তার ঠিক বিপরীতে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে ঘরের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটির কম্প্রেসর নিয়ন্ত্রণ করে শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে।

যদি এসির ইনপুট পাওয়ারের কথা চিন্তা করি, তবে জেনারেল, স্যামসাং এবং ক্যারিয়ারে যথাক্রমে এই মান হল ১২১০, ১৩৪৮ এবং ১২৫৬ ওয়াট। তবে ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন মডেলের এই এসিতে ইনপুট ভোল্টেজ ১১৭০ ওয়াট। সুতরাং তালিকার এসিগুলো থেকে ওয়ালটন এসিই বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন নিঃসরণ করবে ।

আগে সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করা হত, তবে পরিবেশ নিয়ে ভাবে এমন সকল উৎপাদনকারী কোম্পানি সিএফসি থেকে বের হয়ে এইচএফসি রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করতে শুরু করেছে। আজকের তালিকার দুটি এসি তথা জেনারেল এবং ক্যারিয়ার এর এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-410A রেফ্রিজারেন্ট, এটিও এইচএফসি আর এটির GWP মান ২০৯০। অন্যদিকে ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন মডেলএর এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫। সুতরাং, জেনারেলের তুলনায় ওয়ালটনের এসিটি বেশি পরিবেশবান্ধব। বাতাস বিশুদ্ধকরণ এবং ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার মত ক্ষতিকারক মাইক্রো এলিমেন্ট বাতাস থেকে দূরীকরণের জন্য ওয়ালটনের এই এসিটিতে পাওয়া যাবে ডুয়াল ডিফেন্ডার এবং আইওনাইজার প্রযুক্তি।
Samsung AR12J মডেলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-22 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। এই R-22 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসের তুলনায় আবার R-410A রেফ্রিজারেন্ট তুলনামুলক বেসি সাশ্রয়ী, তাপ শোষণ ক্ষমতাসম্পন্ন; সর্বোপরি পরিবেশবান্ধব। আবার এই R-410A রেফ্রিজারেন্ট থেকেও বেশি পরিবেশবান্ধব এবং তাপ শোষণ ক্ষমতাসম্পন্ন হচ্ছে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, সুতরাং আপনি বুঝতেই পারছেন আশাকরি।

তাছাড়াও আইওটি বেজড হওয়ার ফলে ওয়ালটনের এসিটি অ্যাপ দিয়ে যেকোনো স্থান থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে । এই আর্টিকেলে ১টনের বাইরের দেশের বিভিন্ন এসির দামের কাছাকাছি ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন মডেলের এই ১টনের এসি তুলনা করা হয়েছে। তো আশাকরি এই আর্টিকেলটি আপনার পরবর্তী এসি কেনার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও সহায়তা দেবে। আসুন আর দেশের অর্থ বাইরে না পাঠিয়ে মেড ইন বাংলাদেশ পণ্যতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে দেশের সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখি।

পুড়োটা পড়ুন

৬৭৯৯ টাকায় প্রিমো জিএইচ৯ঃ সবচেয়ে সাশ্রয়ী দামে অনবদ্য স্মার্টফোন!

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

 


বর্তমান সময়ে একদম সাশ্রয়ী মূল্যে বাজারে দারুন সব বাজেট কিং স্মার্টফোন আনার জন্য দেশীয় ইলেক্ট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটন ব্যাপক জনপ্রিয়। প্রিমো আরএক্স৭ মিনি থেকে শুরু করে, প্রিমো এইচ৯ প্রো সবগুলো স্মার্টফোনই দাম হিসেবে বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় দারুন স্পেসিফিকেশন, ক্যামেরা এবং ডিজাইন নিয়ে ওয়ালটন বাজারে নিয়ে আসলো প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 স্মার্টফোন। ৬৭৯৯ টাকায় এই স্মার্টফোনটিতে পাওয়া যাবে ২ জিবি র‍্যাম, ডুয়াল ক্যামেরা মডিউল, হেলিও এ২০ চিপসেট, ইনসেল আইপিএস প্রযুক্তির ডিসপ্লে সহ আরো অনেককিছু।

একনজরে প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 স্মার্টফোনটিঃ

  • ৪জি কানেক্টিভিটি
  • হেলিও এ২০ চিপসেট
  • এন্ড্রয়েড ১০
  • ৬.১ ইঞ্চি ১৯ঃ৯ রেসিও সমৃদ্ধ ইনসেল আইপিএস ডিসপ্লে
  • ডুয়াল ক্যামেরা মডিউল
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর
  • ৩০০০ এমএএইচ  ব্যাটারি

স্মার্টফোনটির বক্সে যা যা পাওয়া যাবেঃ

ডিজাইন এবং ডিসপ্লে

মাত্র ১৬৫ গ্রাম ওজনের দারুন হালকা এই ডিভাইসটি বাজারে পাওয়া যাবে ৪ টি আকর্ষণীয় কালারে। এগুলো হল ব্ল্যাক, স্কাই ব্লু, অসিয়েন গ্রিন এবং ডিপ ব্লু। স্মার্টফোনটির একদম নিচে পাওয়া যাবে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, স্পিকার এবং মাইক্রোফোন গ্রিল, এখন উপরেপাওয়া পাওয়া যাবে একটি ৩.৫ এমএম অডিও জ্যাক। বামপাশে পাওয়া যাবে ভলিউম রকার এবং পাওয়ার বাটন, আর ডান পাশে পাওয়া যাবে একটি সিম কার্ড ট্রে।

যারা বড় ডিসপ্লে পছন্দ করেন তাদের জন্য এই স্মার্টফোনটি অনবদ্য! কেননা ৬৭৯৯ টাকার এই বাজেটে প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 এর সাথে পাচ্ছেন ৬.১ ইঞ্চি ইনসেল আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল। ফোনটিতে ১৯ঃ৯ রেসিও সম্বলিত ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে, আর আমরা জানি যে এই রেসিও সম্বলিত ডিসপ্লে গুলোতে সাইড বেজেল অনেক কম পাওয়া যায়, প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 ফোনের ক্ষেত্রেও ব্যাতিক্রম ঘটেনি। সাধারন আইপিএস ডিসপ্লেতে টাচ প্যানেল এবং ডিসপ্লে দুটি আলাদা-আলদা লেয়ার তথা সম্পূর্ণ ডিসপ্লে দুটি লেয়ারে বিভক্ত থাকে। তবে ইনসেল আইপিএস ডিসপ্লেতে দুটি আলাদা লেয়ারের বদলে এখানে একটি সিঙ্গেল লেয়ার থাকে। একারনে ইনসেল আইপিএস ডিসপ্লে অনেক পাতলা এবং এটি অনেক বেশি টাচ রেস্পন্সিভও বটে। ডিসপ্লেটির রেজুলেশন ১৫৮০*৭২০ পিক্সেল।

ইউজার ইন্টারফেস

যারা মূলত স্টক এন্ড্রয়েড প্রেমি তাদের জন্য প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 অন্যতম পছন্দ হতে পারে। স্মার্টফোনটিতে পাওয়া যাবে এন্ড্রয়েড এর সর্বশেষ সংস্করণ এন্ড্রয়েড ১০। আর এন্ড্রয়েড ১০ এর দারুন দারুন সকল ফিচারস যেমন স্মার্ট রিপ্লাই, জেসচার ন্যাভিগেশন এবং লাইভ ক্যাপশন ইত্যাদি উপভোগ করতে পারবেন খুব সহজে!

ক্যামেরা

স্মার্টফোনটির রিয়ার প্যানেলে পাবেন একটি ডুয়াল ক্যামেরা মডিউল। ১৩ মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সরের পাশাপাশি এতে পাওয়া যাবে একটি ০.৩ মেগাপিক্সেল সেকেন্ডারি সেন্সর। আর এই ০.৩ মেগাপিক্সেলের এই সেন্সরটি ডেপথ সেন্সিং এর কাজ করবে।

f/1.8, f/2.0, f/2.2 ইত্যাদি নম্বর দিয়ে ক্যামেরার অ্যাপারচার প্রকাশ করা হয়ে থাকে। অ্যাপারচার এর মানে হচ্ছে লেন্সের ফোকাল লেন্থ। অ্যাপারচার নাম্বারে f ভগ্নাংশের পরে যে সংখ্যা থাকে সেটি যত ছোট হবে আপনার ক্যামেরার ওপেনিং ততই বড় হবে এবং ওপেনিং যত বড় হবে ক্যামেরা তত ভালো ভাবে লো লাইট ছবি উঠাতে পারবে। এবং যে শ্যালো ডেফত অফ ফিল্ড ইফেক্ট থাকে তাও ভালোভাবে দেখতে পাওয়া যাবে। শ্যালো ডেফথ অফ ফিল্ড ইফেক্ট মানে, আপনি দেখেছেন যে ছবি উঠানোর সময় আপনার সামনে থাকা সাবজেক্ট এর ছবি পরিষ্কার হয় এবং সাবজেক্ট এর পেছনে ঘোলা ইফেক্ট থাকে, তো আপনার ক্যামেরার অ্যাপারচার নাম্বার যতো কম হবে এই ইফেক্ট ততো ভালো দেখতে পাওয়া যাবে।

প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 এর সেকেন্ডারি রিয়ার ক্যামেরার অ্যাপারচার f/2.0, সুতরাং এর মাধ্যমে আপনি দারুন সব ছবি তুলতে পারবেন, যেখানে ছবির কোয়ালিটি যেমন সুন্দর থাকবে, তেমনি সাবজেক্টকে ফোকাসে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ড ঘোলা করতেও সুবিধা হবে।

প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 এর ফ্রন্ট প্যানেলের উপরে ইউ শেপড নচ এর ভেতর পাওয়া যাবে একটি ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর। আর এই ক্যামেরাতে পাওয়া যাবে ফেস ডিটেকশন অটোফোকাস- পিডিএএফ প্রযুক্তি। স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট ক্যামেরার অ্যাপারচার f/2.2।

হার্ডওয়্যার

৬৭৯৯ টাকার বাজেটে দারুন এই স্মার্টফোনটিতে আপনার দৈনন্দিন সকল কার্যকলাপ পরিচালনা করার জন্য সিস্টেম ব্যাকআপ হিসেবে পাবেন ২ জিবি র‍্যাম। ২ জিবি র‍্যামের সাথে এতে ইন্টারনাল মেমোরি পাওয়া যাবে ১৬ জিবি। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে ডেডিকেটেড এসডি কার্ড স্লটে স্মার্টফোনটিতে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সট্রা এসডি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

দারুন বাজেটের এই স্মার্টফোনে মেইন হার্ডওয়্যার হিসেবে থাকবে মিডিয়াটেক এর হেলিও এ২০ চিপসেট । হেলিও এ২০, ১২ ন্যানোমিটার ফিনটেক প্রযুক্তিতে তৈরি ১.৮ গিগাহার্জ ক্লক-স্পিড সম্বলিত করটেক্স এ৫৩ ভিত্তিক কোয়াডকোর সিপিইউ। আর এই সিপিইউ ইউনিট এর সাথে জিপিউ তথা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে পাওয়া যাবে PowerVR Rogue GE8300 জিপিইউ। প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 এর এনটুটু বেঞ্চমার্ক স্কোর এসেছে ৭২০৫৬। আর গিকবেঞ্চে সিঙ্গেল কোরে ৭৮৫ এবং মাল্টি কোরে ২২৮১।

ওয়ালটনের অন্যসকল স্মার্টফোনের মতই এই ‘প্রিমো জিএইচ৯’ এও পাবেন ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি এবং ৩০ দিনের রিপ্লেস্মেন্ট গ্যারান্টি।

পরিশেষে

সম্পূর্ণ ডিভাইসকে ব্যাকআপ দিবে একটি ৩০০০ মিলিএম্পিয়ার ব্যাটারি। আর নিশ্চয়ই এতে প্রাইমারি সিকিউরিটি ফিচার হিসেবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর তো পাচ্ছেনই। মোট কথা দারুন এই বাজেটে বাজারে প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 স্মার্টফোনটির বিকল্প মেলা ভার! যদি আপনার বাজেট ৭০০০ টাকা কিংবা তার কম হয় তবে নিঃসন্দেহে প্রিমো জিএইচ৯ - Primo GH9 স্মার্টফোনটি কিনে ফেলতে পারেন। স্মার্টফোনটি দেখতে অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন পাশের ওয়ালটন প্লাজা শোরুম কিংবা ওয়ালটন স্মার্ট জোনে।

পুড়োটা পড়ুন