ওয়ালটন প্রিমো এস৭ প্রোঃ ইভ্যালীতে পাওয়া যাচ্ছে ১০০% ক্যাশব্যাকে

জুলাই ২৮, ২০২০

বহুমাস ধরে ওয়ালটন এর পক্ষ থেকে তাদের এস সিরিজের হাই স্পেকস স্মার্টফোন প্রিমো এস৭ প্রো এর নানাভাবে প্রমোশন হয়ে আসছিলো। আর অনেক মানুষই অপেক্ষায় ছিল স্মার্টফোনটি কবে বাজারে উন্মুক্ত করা হবে, আর দামটাই বা কত হবে! এস সিরিজের নতুন এই স্মার্টফোনটি নিয়ে অবশেষে সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে, পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে বাজারে আনা হল অনবদ্য স্পেকস সম্বলিত ওয়ালটনের নতুন এই ফ্লাগশিপ ফোনটি। প্রিমো এস৭ প্রো এর দাম রাখা হয়েছে ২০,৫০০ টাকা। আর এই ফোনটি পাওয়া যাবে দেশীয় ইকমার্স প্লাটফর্ম  ইভ্যালীর মাধ্যমে।

একনজরে প্রিমো এস৭ প্রো

  • ৬.৩ ইঞ্চি এফএইচডি প্লাস আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল
  • হেলিও পি৭০ চিপসেট
  • এনার্জি এফিসিয়েন্ট ৬ জিবি ডিডিআর৪এক্স র‍্যাম
  • ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ
  • ২৫৬ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট
  • ৪৮+৮+২ মেগাপিক্সেল ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ
  • ১০৮ আল্ট্রাপিক্সেল মোড
  • ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক
  • ৩৯৫০ এমএএইচ ব্যাটারি

স্মার্টফোনটিতে পাওয়া যাবে মিডিয়াটেকের ফ্লাগশিপ গ্রেডের চিপসেট, আর এই চিপসেট সম্পূর্ণ স্মার্টফোনটিকে করে তুলবে পুরোপুরিভাবে একটি গেইম বুস্টার। পাশাপাশি এর ৬ জিবি র্যাম সম্পূর্ণ সিস্টেমে অন্যতম সহায়ক হার্ডওয়্যার হিসেবে কাজ করবে৷ স্মার্টফোনটিতে ইন্টারনাল ১২৮ জিবি স্টোরেজ পাওয়া যাবে।

ক্যামেরা সেটআপ, প্রিমো এস ৭ প্রো এর অন্যতম একটি আকর্ষন। ট্রিপল ক্যামেরায় থাকবে একটি ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর। আর আল্ট্রাপিক্সেল মোডে এটি ১০৮ মেগাপিক্সেলে ছবি তুলতে পারবে। আর সেলফি লাভরদের জন্যেও এর ফ্রন্ট ক্যামেরা সেটআপ এগিয়ে, কেননা এতে পাওয়া যাবে একটি ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা সেন্সর।

পুড়োটা পড়ুন

অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় কেমন ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন ২ টন স্মার্ট ইনভার্টার এসি?

জুলাই ২৮, ২০২০

 ঘর যদি ২০০ থেকে ৪০০ স্কয়ারফিট হয়, তবে সেখানে অবশ্যই ২৪০০০ বিটিইউ তথা ২ টন এসির প্রয়োজন। বাসা বাড়ি কিংবা অফিস এসি অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি ইলেকট্রনিকস অ্যাপ্লায়েন্স, আর অনেক ব্যায়সাপেক্ষও বটে! আর সেকারনেই এসি কেনার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিটা সময় নানারকম দ্বিধাদ্বন্দের ভেতর পড়তে হয়।

এসির মত একটি উচ্চ বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার আগে আমাদেরকে কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হয়। এসিটি ইনভার্টার প্রযুক্তির কিনা, এসিটি কতটা পরিবেশ বান্ধব এবং বিদ্যুত সাশ্রয়ী এবং সেই এসিটি কেনার দিক দিয়ে আমাদের কাছে ঠিক কতটা সাশ্রয় হচ্ছে, এসব বিষয়।

 

ওয়ার্লপুল SPOW224W৮১-৮৫ হাজার 
শার্পAH XP24SHV৯৪ হাজার
জেনারেলASG-24ABC-W৮৯ হাজার 
ওয়ালটন WSI-KRYSTALINE-24C৭৫ হাজার ৫০০ 

ওয়ার্লপুল

SPOW224W মডেলটি ওয়ার্লপুলের ২৪০০০ বিটিইউ তথা ২ টন ক্যাপাসিটির অন্যতম একটি এসি। ওয়ার্লপুলের ফ্যান্টাসিয়া সিরিজের এই এসিটির বাজার মূল্য ৮১ থেকে ৮৫ হাজার টাকা। এটি একটি ইনভার্টার প্রযুক্তির স্প্লিট এসি। এই এসিটিতে পাবেন একটি হিডেন ডিসপ্লে। এই এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আর-৪১০এ রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস। বাংলাদেশে ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসিটি কিনলে এর কমপ্রেসরে ৩ বছর এবং স্পেয়ার পার্টস ও সার্ভিসে ১ বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে। যা ওয়ালটনের তুলনায় অনেক কম।

শার্প

AH XP24SHV মডেলটি শার্পের ২৪০০০ বিটিইউ তথা ২ টন ক্যাপাসিটির একটি এসি। ৯৪ হাজার টাকায় বাজারে পাওয়া যাবে ২ টনের ইনভার্টার প্রযুক্তির এই এসিটি। এতে হিডেন ডিসপ্লের বদলে একটি ছোট এলসিডি ভিজিবল ডিসপ্লে। এই এসিটিতেও রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস হিসেবে থাকবে আর-৪১০এ। শার্প এসিটির ভেতর থাকা প্লাজমাক্লাস্টার প্রযুক্তি বাতাসের ভেতরে থাকা অদৃশ্য অগ্রানিজম; যেমন ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়া এসব দূর করতে সক্ষম। ওয়ালটনের মত ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসিটিতেও ১০ বছরের কমপ্রেসর ওয়ারেন্টি থাকবে। পাশাপাশি ২ বছরের সার্ভিস এবং ১ বছরের স্পেয়ার পার্টস ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।

জেনারেল

তুলনায় অবশ্যই থাকছে জেনারেলের ২ টন ক্যাপাসিটির একটি এসি, যার মডেল নাম ASG-24ABC-W। ২৪০০০ বিটিইউ তথা ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসির বাজার মূল্য ৮৯ হাজার টাকা। তবে জেনারেলের ২ টনের এই এসিটি নন-ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। আর এতে রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস হিসেবেও ব্যবহার করা হয়েছে "আর-৪১০এ" এর চাইতে পুরাতন রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস "আর ২২"। জেনারেলের এই এসিটির ওয়ারেন্টি সুবিধাগুলো একটু আলাদা। জেনারেলের ২ টন ক্যাপাসিটির এই এসিতে সার্ভিস ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে ৩ বছর। আর স্পেয়ার পার্টস ও কমপ্রেসরে ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে ২ বছর।

ওয়ালটন

এখন আসি ওয়ালটন এসিতে। ২৪০০০ বিটিইউ তথা ২ টন ক্যাপিসিটির আজকের আমরা ওয়ালটনের এসিটি উল্লেখ্য করছি, সেটি হলো WSI-KRYSTALINE-24C। এটি ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন সিরিজের ২ টন ক্যাপাসিটির এসি৷ ২ টনের এই ক্রিস্টালাইন এসিটি একটি ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। আর শার্পের জে-টেক ইনভার্টার প্রযুক্তির মত এটি টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তির। আর টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তি অন্যান্য ইনভার্টার প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। শার্প এসিতে বাতাসে ক্ষতিকর উপাদান এবং মাইক্রো-অর্গানিজম ধ্বংসের জন্য যেমন প্লাজমাক্লাস্টার প্রযুক্তি রয়েছে ; তেমনিভাবে ওয়ালটনের এই এসিতে থাকছে আইওনাইজার প্রযুক্তি।

বিশুদ্ধ বাতাস

আইওনাইজার সুবিধা সম্পর্কে আমরা অনেকে জানি, এটি এসির মাধ্যমে বাতাসে নেগেটিভ আয়ন উন্মুক্ত করে দিয়ে বাতাসের খারাপ কিছু উপাদান এবং মাইক্রো অগ্রানিজম বিনষ্ট করে দেয়। এভাবে ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন এসিটি বাতাসকে বিশুদ্ধ করার কাজ করছে। একইভাবে শার্প এসিতেও আমরা আমরা দেখতে পাচ্ছি প্লাজমা ক্লাস্টার প্রযুক্তি।

ইনভার্টার প্রযুক্তি

বর্তমান সময়ে একটি মানসম্মত এসি কেনার ক্ষেত্রে ইনভার্টার প্রযুক্তি ব্যাতিত এসি কেনার কোনো বিকল্প একদম নেই বললেই চলে। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। আজকের তালিকায় ওয়ালটন এবং শার্প এসিতে ইনভার্টার প্রযুক্তিতো ব্যবহার করার হয়েছেই, তাও এখানে অত্যাধুনিক ইনভার্টার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন ওয়ালটনের টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তি। অন্যদিকে যদি আমরা জেনারেলের দিকে তাকাই, তবে সেটি একটি নন-ইনভার্টার এসি।

পরিবেশ বান্ধব

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বাতাসে তাপ তৈরির দিক দিয়ে 'আর-৪১০এ' এর চাইতে 'আর-২২' এগিয়ে। তাছাড়াও 'আর-৪১০এ' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস 'আর-২২' এর চাইতে বেশি বিদ্যুত সাশ্রয়ীও বটে! 'আর-২২' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস সমৃদ্ধ এসিতে সিস্টেম ওভারহিটিং এর সমস্যাও বেশি হয়। শার্প, ওয়ার্লপুল এবং আমাদের দেশীয় ওয়ালটনে যুগোপযোগী 'আর-৪১০এ' রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হলেও, জেনারেল এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে 'আর-২২' রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস।

দাম

আমরা যদি দামের দিকে এখন তাকাই, তবে ওয়ালটনের ক্রিস্টালাইন এসিটির মূল্য ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা। ২ টনের ওয়ার্লপুল ফ্যান্টাসিয়া এসিটির দাম ৮১ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা। জেনারেলের ২ টন এসিটির দাম ৮৯ হাজার টাকা। আর সবচাইতে বেশি শার্প এসিটির দাম প্রায় ৯৪ হাজার টাকা। সকল সুবিধার বিবেচনায় ওয়ালটন এর ক্রিস্টালাইন সিরিজের ২ টনের এই ইনভার্টার এসিটি দারুন ভাবে বাকিসব এসির সাথে টেক্কা দিতে সক্ষম, আর সেই হিসেবে অন্যসব এসির চাইতে এটি অনেক বেশি সাশ্রয়ও হচ্ছে। অফিসে বা কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে যখন বেশি সংখ্যক এসির প্রয়োজন হয়, তখন ওয়ালটনের দিকে ঝোকাই বেশি যুক্তিযুক্ত।

পরিশেষে

অন্যান্য এসির কমপ্রেসর বাইরের দেশে বিদ্যুত এবং তাদের আবহাওয়ার জন্য তৈরি করা হলেও, ওয়ালটন এসির কমপ্রেসর বিশেষায়িতভাবে বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং আমাদের দেশের বিদ্যুৎ এর হিসেবে তৈরি করা। এসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই কম্পোনেন্ট কমপ্রেসর, অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় অন্তত আমাদের দেশে ওয়ালটনের কমপ্রেসরই বেশি টেকসই এবং বিদ্যুত সাশ্রয়ী হবে, এটা বাস্তবিক। সুতরাং পরিশেষে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, দেশের টাকা বাইরে না পাঠিয়ে অত্যান্ত উপকারী এই ইলেকট্রনিকস অ্যাপ্লায়েন্স কেনার ক্ষেত্রে সাশ্রয়ের সঙ্গী হয়ে আমরা ওয়ালটন এসিকেই পছন্দ করতে পারি।

পুড়োটা পড়ুন

ওয়ালটনের বেভেলিন স্মার্ট এসিঃ অন্যসব ব্র্যান্ডের টেক্কায় কিরকম?

জুলাই ২৪, ২০২০

দেশি বিদেশি বহু কোম্পানির ভীরে ন্যায্য দামের মধ্যে যুগোপযোগী এবং পূর্ণ কার্যকর একটি এসি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া জেনো সত্যি একটি কষ্টকর ব্যাপার। আমাদের দেশের বিবেচনায় সেই এসিটি কতোটা ইলেক্ট্রিসিটি এফিসিয়েন্ট,পরিবেশের জন্য এসিটি এসিটি কতোটা উপযোগী, দামের দিক দিয়ে এসিটি কতোটা সাশ্রয়ী, সবকিছুই ভাবার বিষয়।

এই আর্টিকেলে আজকে আমরা দেশীয় ইলেক্ট্রনিকস প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের বেভেলিন সিরিজের সাম্প্রতিক একটি দেড় টনের এসির সাথে, বাজারে থাকা অন্যকিছু একই দেড়টন ক্যাপাসিটির তুলনা করব।

আমরা আজকের আর্টিকেলে ওয়ার্লপুল, ডাইকিন, প্যানাসনিক, স্যামসাং এবং জেনারেল এর ১.৫ দেড় টনের কিছু এসির সাথে ওয়ালটনের নতুন বেভেলিন সিরিজের দেড় টন এসির তুলনা করব। যেখানে আমরা এসিরগুলোর কাজ হিসেবে দামের সাশ্রয়, এসির সুযোগ-সুবিধা, কতোটা পরিবেশ বান্ধব এসব বিষয় বিবেচনায় রাখব। সর্বোপরি কোন এসিটিতে টাকা খরচ করলে আমাদের অর্থ অতিরিক্ত খরচ হবেনা, তা অনুধাবন করব।

নাম দাম মডেল 
Whirlpool71,517 SAI18K30SC0
Daikin97,200JTKJ18TV16UD
Panasonic65,100CS-VC18VKY-81+S
Samsung91,900AR18MVFHGWKZ
General80,000AOGA18FUTBR
Walton 63,000WSI-BEVELYN-18C

আমরা যদি উপরের এসিগুলোর দামের দিকে তাকাই, তবে বেভেলিনের সাথে বাকিগুলোর তফাত খুব সহজেই আলাদা করতে পারবো। প্যানাসনিক দেড় টন এসির দাম বেভেলিনের কাছাকাছি হলেও, প্যানাসনিক এসিটি পিছিয়েই থাকবে, কেননা এটি একটি নন- ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। তাছাড়াও জেনারেল এসিটিও নন-ইনভার্টার এসি।

নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সার্কিট অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়।

এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তার ঠিক বিপরীতে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে ঘরের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটির কম্প্রেসর নিয়ন্ত্রণ করে শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। আমাদের দেশীয় ওয়ালটনের পাশাপাশি তালিকার অন্য বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো তাদের দেড় টন এসিগুলোতে ইনভার্টার প্রযুক্তি দিচ্ছে। তবে যদি দামের হিসাব করি ওয়ালটনের তুলনায় সেগুলো অনেক বেশি।

আবার সব এসিই আমাদের দেশের জন্য কার্যকরী হবে না। যেমন ওয়ার্লপুলের এসিটি একটি কনভার্টেবল এসি। এতে ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত টেম্পারেচার মোড রয়েছে। আমাদের দেশ বরফের দেশ হলে তখন এই এসির কনভার্টেবল সুবিধাটি কাজে আসত।

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন নিঃসরণ করবে ।

আগে সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করা হত, তবে পরিবেশ নিয়ে ভাবে এমন সকল উৎপাদনকারী কোম্পানি সিএফসি থেকে বের হয়ে এইচএফসি রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করতে শুরু করেছে। আজকের তালিকার দুটি এসি তথা জেনারেল এবং ক্যারিয়ার এর এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-410A রেফ্রিজারেন্ট, এটিও এইচএফসি আর এটির GWP মান ২০৯০। অন্যদিকে ওয়ালটনের রিভারাইন মডেলএর এসিটিতে ব্যবহার করা হয়েছে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫।

প্যানাসনিক, স্যামসাং এবং জেনারেল এসিতে ব্যবহার করে R-410A রেফ্রিজারেন্ট। ওয়ার্লপুল, ডাইকিন এবং ওয়ালটন ব্যবহার করে R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, সুতরাং পরিবেশবান্ধব কতোটা এটা চিন্তা করলে এই তিনটি ব্র্যান্ড এগিয়ে। আর যদি বলা হয় অর্থ সাশ্রয়, তবে সেটা আমাদের দেশীয় ওয়ালটন।

এসির ক্ষেত্রে সার্ভিস অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরী। সেক্ষেত্রে যেকোনো রকম সার্ভিসের কাজে ওয়ালটনের আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস পয়েন্টগুলো, আপনাকে অন্যসবের তুলনায় যথেষ্ট ভালো সেবা দিবে। তাছাড়াও স্যামসাং আর ওয়ার্লপুলের মতন ওয়ালটন তাদের এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি প্রদান করবে।

এই আর্টিকেলের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনাকে ন্যায্য দামে একটি ভালো এসি কেনার ক্ষেত্রে একটি সিন্ধান্ত দেয়া। আমরা যদি ন্যায্য এবং সাশ্রয় দামে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি এসি পাই, যা সুবিধার দিক দিয়ে তাদের সাথে টেক্কা দিতে সক্ষম এবং অনেকাংশে ভালো; তবে কেনো আমরা দেশীয় ব্র্যান্ডের দিকে ঝুঁকবো না? আশা করি আর্টিকেলটি থেকে কিছু বিষয় জানতে পেরেছেন, নিচে আপনার মূল্যবান মতামত কাম্য।

পুড়োটা পড়ুন

ভাইরাস প্রতিরোধী ডুয়াল ডিফেন্ডার প্রযুক্তি সহ দেড় টনের নতুন স্মার্ট ইনভার্টার এসি : WSI-KRYSTALINE-18C

জুলাই ২৩, ২০২০



 

নিত্যনতুন প্রযুক্তি সম্বলিত উন্নত শীতাতপ নিয়ন্ত্রন যন্ত্র তথা এসির জন্য আমাদের দেশে অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। বিগত বহু বছর ধরেই ওয়ালটন আধুনিক সকল চাহিদার মান এবং সকল আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় রেখে দেশেই বিভিন্ন মডেলের এসি উৎপাদন করে আসছে, যা আন্তর্জাতিক নামীদামী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এসিগুলোর সাথেও প্রতিযোগিতা করতে প্রস্তুত।

সম্প্রতি ওয়ালটন তাদের ক্রিস্টালাইন সিরিজের অধীনে আরেকটি নতুন এসি নিয়ে এসেছে। আর এটি এই সিরিজের অধীনে একটি ১.৫ টন ক্যাপাসিটির এসি, অর্থাৎ ১৮০০০ বিটিইউ। ওয়ালটন এই টুইনফোল্ড ইনভার্টার এসিতে বাতাসের বিশুদ্ধতা রক্ষা, বাতাসকে সকল প্রকার ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষার ব্যাপারে দারুনভাবে কজ করেছে। কেননা এই এসিটির অন্যতম একটি প্রমিসিং ফিচার এর ‘ডুয়াল ডিফেন্ডার’ তথা স্মার্ট ডিফেন্ডার প্রযুক্তি।

একনজরে WSI-KRYSTALINE-18C [Smart Defender]

  • বিটিইউঃ ১৮০০০
  • ইনপুট পাওয়ারঃ ১৫০৭
  • রেফ্রিজারেন্টঃ আর-৪১০এ
  • কম্প্রেসর ধরনঃ রোটারি-ইনভার্টার
  • দামঃ ৬৬ হাজার

WSI-KRYSTALINE-18C এটি একটি স্মার্ট আইওটি বেইজড এসি। যার ফলে এই এসিটিকে রিমোট ছাড়াও একটি অ্যাপ এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যাবে। এসিটি বাসার বা অফিসের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত থাকবে। আর এই অ্যাপ দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকেই এই এসিটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

এসিটিতে বাতাসকে বিশুদ্ধ করার জন্য পরপর দুটি দারুন কার্যকরী সুবিধা দেয়া হয়েছে, একটি আইওনাইজার এবং আরেকটি অ্যান্টি ভাইরাল ফিল্টার। আইওনাইজার সুবিধা সম্পর্কে আমরা অনেকে জানি, এটি এসির মাধ্যমে বাতাসে নেগেটিভ আয়ন উন্মুক্ত করে দিয়ে বাতাসের খারাপ কিছু উপাদানকে বিনষ্ট করে দেয়। অন্যদিকে এর পাশাপাশি এসিটিতে থাকা অ্যান্টি ভাইরাল ফিল্টার এর বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাতাসকে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে। আর এই অ্যান্টি ভাইরাল ফিল্টার ০.৩ মাইক্রন আকৃতি পর্যন্ত ব্যক্টেরিয়া, ভাইরাস অনুকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি সাধারন ইনভার্টার এসি থেকে অনেক বেশি কার্যকর। নন-ইনভার্টার এসি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অন-অফ হওয়ার মাধ্যমে। এখানে এসি পূর্ণ শক্তিতে চালু হওয়ার পর ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক অবস্থায় এলে এসির কমপ্রেসর বন্ধ হয়ে যায়। আবার ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেলে, তখন চালু হয়। এভাবে বারবার এসি চালু ও বন্ধ হওয়ার কারণে, এসি বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি প্রথমে পূর্ণ শক্তিতে চালু হয়। পরে রুমের পরিবেশের আরামদায়ক তাপমাত্রা ঠিক রেখে এসিটি শক্তি খরচ কমিয়ে নিয়ে আসে। এভাবে কম শক্তিতে চলার কারণে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে।

ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিটিতে ব্রাসলেস ডিসি মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুবই স্মুথ এবং নিঃশব্দের সাথে কাজ করতে সক্ষম। এতে করে রাতে ঘুমানোর সময় এই এসি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এমন কোন যান্ত্রিক শব্দ আসবে না, যা আপনার ঘুমকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই এই এসিটি তার নিজের কাজ খুব ভালোভাবে করে যাবে একদম নিঃশব্দে পূর্ণ দক্ষতার সাথে। আর টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তির ফলে কম্প্রেসর এর নিয়ন্ত্রণ এই এসিটিতে অনেক পরিকল্পিত, যা এসিটিকে অন্যসব ইনভার্টার এসির থেকে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করেছে।


ক্রিস্টালাইন স্মার্ট এসিটি মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করতে সক্ষম। বহু এসি শুধু সিঙ্গেল ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করে, যার ফলে যারা কেবল এসির সামনে অবস্থান করে তারাই বাতাস পায়, ঘরের কোনায় কিংবা অন্য কোন স্থানে থাকা ব্যাক্তি বাতাস পায় না। তবে ক্রিস্টালাইন এসির মাল্টি ডাইরেকশনে বাতাস প্রবাহ করার সক্ষমতার ফলে সব দিকেই সমানভাবে শীতল বাতাস প্রবাহিত হবে।

ক্রিস্টালাইন স্মার্ট এসিতে আপনি পাবেন ১৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত টেম্পারেচার মোড । বাজারের বহু এসিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এতে সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পাবেন।

আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের জন্য আর৪১০এ হল একটি মানসম্মত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, আর ৩২ তার থেকেও পরিবেশসম্মত গ্যাস। আগে আর২২ ব্যবহার করা হত যা ছিল অজোন স্তর জন্য খুবই মারাত্তক।

যেহেতু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বৈশ্বিক সমস্যার জন্য অন্যতম দায়ী এসির মত ইলেকট্রনিক্স এপ্লায়েন্স, তাই এসিতে সঠিক এবং পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তাও বিবেচনার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস এর আরেকটি নিয়ামক মাত্রা হল GWP, তথা গ্লোবাল ওয়ার্মিং পটেনশিয়াল মান। GWP মান যত কম হবে এসিটি বাতাসে তত কম তাপ উৎপন্ন তথা কার্বন ছাড়বে।R-410A রেফ্রিজারেন্ট এর GWP মান ২০৯০। এবং R-32 রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস, এটির GWP মান ৬৭৫।

বাংলাদেশের মত দেশে এসির মত হাই ইলেকট্রিসিটি কনজিউমিং ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি কতটা বিদ্যুত সাশ্রয়ী তা বিবেচনা করা খুবই জরুরী। ক্রিস্টালাইন এসিটির ইনপুট পাওয়ারও তুলনামূলকভাবে কম, আর এসিটি টুইনফোল্ড ইনভার্টার প্রযুক্তির হওয়ার ফলে, তুলনামূলকভাবে অনেকটা বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

এসিটি দেখতে অবশ্যই আপনার আসেপাশের নিকটস্থ ওয়ালটন ডিলার শো-রুম অথবা ওয়ালটন প্লাজায় চলে যেতে পারেন। এসিতে থাকছে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। এসির কম্প্রেসরে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আরো পাবেন ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। বর্তমানে সারা দেশে আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কর্তৃক পরিচালিত ৭২টি সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। যেখানে যেকোনো সমস্যায় খুব সহজেই সেবা পেয়ে যাবেন।

পুড়োটা পড়ুন

ওয়ালটন ইনভার্টার এসিতে ব্যাপক মূল্যছাড়

জুলাই ২২, ২০২০


এয়ার কন্ডিশনারে বিশেষ মূল্যছাড় দিচ্ছে দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন। ‘সুপার সেভিং ডিল’ ক্যাম্পেইনের আওতায় ওয়ালটনের দেড় টনের ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির এসিতে ১৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। রয়েছে ফ্রি ইনস্টলেশন সুবিধা। অনলাইনে ই-প্লাজা এবং সারা দেশে ওয়ালটনের যেকোনো আউটলেট থেকে এসি কেনায় গ্রাহকরা এসব সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন। করোনাভাইরাস দুর্যোগের মাঝে এসি ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিতেই ওয়ালটনের এ উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, সুপার সেভিং ডিল ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি অনলাইনে দ্রুত সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। এ পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। এ কার্যক্রমের আওতায় ওয়ালটনের একটি এসি কিনে আরেকটি সম্পূর্ণ ফ্রি পেতে পারেন ক্রেতারা। রয়েছে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত মূল্যছাড়। তবে সুপার সেভিং ডিলের আওতায় এসি কিনলে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে দেওয়া সুবিধা মিলবে না।

ওয়ালটন এসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর রহমান জানিয়েছেন, সুপার সেভিং ডিল ক্যাম্পেইনে ওয়ালটনের ভেনচুরি সিরিজের ১.৫ টনের ইনভার্টার এবং স্মার্ট ইনভার্টার এসিতে বিশেষ মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই সিরিজের ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ইনভার্টার এসিটি ক্রেতারা ১২ হাজার ৭০০ টাকা কমে এখন পাচ্ছেন মাত্র ৫০ হাজার ৮০০ টাকায়। একই সিরিজের ১.৫ টনের ৬৫ হাজার টাকা দামের স্মার্ট এসিতে ১৩ হাজার টাকা মূল্যছাড় মিলছে। ফলে এটি এখন কেনা যাচ্ছে ৫২ হাজার টাকায়। স্টক থাকা সাপেক্ষে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত গ্রাহকরা এসব সুবিধা পাবেন।

এদিকে, যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটনের দক্ষ টেকনিশিয়ানগণ বিনামূল্যে গ্রাহকদের এসি ইন্সটলেশন করে দিচ্ছেন।

কর্মকর্তারা জানান, দেশে নিজস্ব কারখানায় উচ্চমান বজায় রেখে এসি তৈরি করছে ওয়ালটন। এসির মান উন্নয়নে ওয়ালটনের রয়েছে দক্ষ ও মেধাবী আরঅ্যান্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। যারা প্রতিনিয়ত এসির ডিজাইন এবং মান নিয়ে গবেষণা করছেন। ফলে ওয়ালটন এসিতে যুক্ত হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন এসিতে সংযুক্ত হয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি। বুয়েটে সম্প্রতি এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওয়ালটন এসিতে বিদ্যুৎ খরচ খুবই কম। ঘণ্টায় মাত্র ৩.৭৪ টাকা। এর অর্থ ওয়ালটন ইনভার্টার এসি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎসাশ্রয়ী।


ওয়ালটন এসির কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর-৪১০এ এবং আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড, ডুয়েল ডিফেন্ডার এবং আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠান্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। ইভাপোরেটর এবং কন্ডেন্সারে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি। যার ফলে ওয়ালটন এসি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী।

১, ১.৫ এবং ২ টনের স্প্লিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ (VRF) এবং চিলার (Chiller) এসি।

এদিকে, যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি বদলে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্টে কেনা যাচ্ছে ওয়ালটনের নতুন এসি। এছাড়া, মাত্র ৪ হাজার ৯০০ টাকা ডাউনপেমেন্টে এসি দিচ্ছে ওয়ালটন। রয়েছে ৩৬ মাসের সহজ কিস্তিসহ জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই সুবিধা। তবে এক্সচেঞ্জ এবং কিস্তি সুবিধায় এসি কিনলে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সুবিধা মিলবে না।

পাশাপাশি ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ‘ই-প্লাজা ডট ওয়ালটনবিডি ডটকম’ (https://eplaza.waltonbd.com) থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের এসি কিনতে পারছেন। অনলাইন থেকে এসি কেনায় ডিজিটাল ক্যাম্পেইন কিংবা সুপার সেভার ডিল সুবিধা উপভোগ করা যাবে।

বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি ওয়ালটনের ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে রয়েছে ১০ বছরের গ্যারান্টি। আর নন-ইনভার্টার কম্প্রেসরের গ্যারান্টি ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর করেছে ওয়ালটন।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছেন।



পুড়োটা পড়ুন

৪২৯৯ টাকায় সুপার বাজেট স্মার্টফোন প্রিমো ই১১ঃ ৪জি কানেক্টিভিটি, ১ জিবি র‍্যাম, কোয়াড কোর প্রসেসর

জুলাই ১৫, ২০২০

বর্তমান যুগে সময়ের সাথে তাল মেলাতে সব বয়সের মানুষেরই স্মার্টফোন ছাড়া চলা অনেকটা কষ্টসাধ্য। যেমন এই মহামারীর সময়ে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গিয়েছে, সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হতে ন্যূনতম একটি স্মার্ট ফোনের সহযোগিতা নিতেই হবে।

সময়ের প্রয়োজনে এখন একটি স্মার্টফোনের গুরুত্ব প্রচুর, তবে সবচাইতে বড় সমস্যা স্মার্টফোনের বাজেট। বাজেট স্বল্পতার কারনে আমরা আমাদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও স্মার্টফোনের মত প্রয়োজনীয় এই ডিভাইসটি কিনতে পারি না। তো এসবের চিন্তা করে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন বরারবই মানুষের মাঝে সাশ্রয়ী দামে দারুন সব বাজেট স্মার্টফোন নিয়ে আসছে। তার ভেতর ওয়ালটনের প্রিমো ই সিরিজটি অনেক বেশি উল্লেখযোগ্য।

সম্প্রতি দেশের বাজেট গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে ওয়ালটন তাদের প্রিমো ই সিরিজের অধীনে নিয়ে এসেছে নতুন প্রিমো ই১১ স্মার্টফোন । ই সিরিজের নতুন এই ‘প্রিমো ই১১’ এর দাম ধরা হয়েছে ৪২৯৯ টাকা।

একনজরে প্রিমো ই১১

  • এন্ড্রয়েড পাই ৯ (গো সংস্করন)
  • ৪ জি কানেক্টিভিটি, ভো-এলটিই সাপোর্ট
  • ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াডকোর প্রসেসর
  • ১ জিবি র‍্যাম, ১৬ জিবি রম
  • ৫ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা
  • ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ২০০০ এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি

স্মার্টফোনটির অন্যতম একটি ফিচারিং সুবিধা হচ্ছে স্মার্টফোনটির ৪ জি কানেক্টিভিটি। গ্রামীনফোন সম্প্রতি ৪জি ভিত্তিক মোবাইল কলিং এ ভো-এলটিই সুবিধা দেশব্যাপী চালু করেছে, স্মার্টফোনটি দিয়ে সেই ভো-এলটিই কলিং সুবিধাও উপভোগ করা যাবে। আর ভো-এলটিই সুবিধা থাকার ফলে, স্মার্টফোনটি ৪জি নেটওয়ার্ক এর ভেতর থাকলে একদম হাই-ডেফিনিশন অডিও কোয়ালিটি উপভোগ করা যাবে।

পাশাপাশি বাসার বয়স্ক মানুষদের জন্যও অনেক সময় একটি সাধারণ স্মার্টফোনের প্রয়োজন হয়। আর তারা প্রিমো ই১১ এর মত দারুন বাজেট স্মার্টফোনটি দিয়ে খুব সহজে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে আত্মীয়-স্বজন, সন্তানদের সাথে তাদের যোগাযোগএর কাজটি করতে পারবেন। তাছাড়া এই মহামারীর সময়ে যেসকল শিক্ষার্থীদের নিরবিচ্ছিন্ন অনলাইন ক্লাসের জন্য একটি ভালো নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি সম্পন্ন ফোন দরকার; তাদের জন্যও এই প্রিমো ই১১ স্মার্টফোনটি একটি দারুন পছন্দ হতে পারে।

ডিজাইন এর দিক দিয়েও এই প্রিমো ই১১ স্মার্টফোনকে খারাপ বলা যাবেনা। স্মার্টফোনটি পাবেন দারুন গ্লসি প্লাস্টিক ফিনিস বডির সাথে। আর স্মার্টফোনটি ছোটোখাট হওয়ার ফলে হাতে খুবি সহজেই গ্রিপ হবে। প্রিমো ই১১ স্মার্টফোনটি বাজারে পাওয়া যাবে তিনটি দারুন কালারে, আর এগুলো হল: Cyan. Electric Blue এবং Jet-Black।

আর বাজেট স্মার্টফোন হলেও এর ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে এর জন্য ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর দিক দিয়ে ব্যবহারকারীর কোন সমস্যা হবেনা। এই বাজেটে ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে থাকাটাও স্মাটফোনটির জন্য অন্যতম একটি প্লাস পয়েন্ট। আর ‘এফডাব্লিউভিজিএ’ ডিসপ্লে হওয়ার ফলে স্মার্টফোনটিরডিসপ্লে যথেষ্ট ব্রাইট।

স্মার্টফোনটিতে দেয়া হয়েছে খুবই বেসিক হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন। আর দাম হিসেবে প্রিমো ই১১এ এর থেকে বেশি কিছু আশা করা ঠিকও হবেনা। স্মার্টফোনটিতে থাকছে ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াডকোর প্রসেসর।

এতে থাকছে ১ জিবি র‍্যাম এবং সিস্টেম মেমোরি থাকছে ১৬ জিবি। যার ফলে ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য জুম কিংবা মেসেঞ্জারের মতন অ্যাপলিকেশন স্মার্টফোনটিতে অনায়াসে চলবে।

স্মার্টফোনটির সামনে এবং পিছনে উভয়পাশে পাচ্ছেন বিএসআই সেন্সর যুক্ত ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আর বিএসআই সেন্সর হওয়ার কারনে স্মার্টফোনটি দিয়ে লোলাইটে খুবই ভালো পারফর্মেন্স পাবেন। আর ফ্রন্টে ৫ মেগাপিক্সেল হওয়ার কারনে সেলফিও হবে দারুন। সুতরাং দাম হিসেবে স্মার্টফোনটির ক্যামেরাও আপনাকে হতাশ করবে না।

আর ওয়ালটনের যেকোনো স্মার্টফোনের সাথেই আপনি পাবেন ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি। সুতরাং আপনার বাজেট যদি ৪০০০ টাকার আশেপাশে হয় তবে  প্রিমো ই১১ স্মার্টফোনটি কিনতে পারেন । আর স্মার্টফোনটি দেখতে চলে যেতে পারেন আপনার নিকটস্থ যেকোনো ওয়ালটন প্লাজায়।

পুড়োটা পড়ুন

নতুন প্রিমো এন৪ স্মার্টফোনঃ ৪ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি রম, বিগ ডিসপ্লে, ট্রিপল ক্যামেরা সেটাপ

জুলাই ১১, ২০২০

প্রায় মাস খানেক আগে ওয়ালটন বাজারে লঞ্চ করেছে তাদের বাজেট স্মার্টফোন প্রিমো এন৪। প্রিমো এন৪ এর ৩ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি রম এরপর, এবার বাজারে এসেছে তাদের ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি রম ভার্সন। স্মার্টফোনটির বক্সে স্বয়ং প্রিমো এন৪ স্মার্টফোনটি সহ সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে পাবেন একটি ট্রান্সপারেন্ট সিলিকন কেস এবং একটি স্ক্রিন প্রোটেক্টর গ্লাস।

একনজরে Primo N4 স্মার্টফোন

  • ১৯ঃ৯ রেসিও সমৃদ্ধ ৬.৫ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে
  • ১৬+৮+২ মেগাপক্সেল রিয়ার ক্যামেরা সেটাপ
  • ৪ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি রম
  • ১৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • ২টি সিম+ ১টি এসডি কার্ড ট্রে (3in1)
  • ডুয়াল সিম ৪জি
  • ৪০০০ এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি

ডিজাইন

স্মার্টফোনটির ডিজাইন কিছুটা প্রিমো এস৪ স্মার্টফোনের মতই। স্মার্টফোনটির রিয়ার প্যানেল তথা ব্যাক প্যানেলে ব্যবহার করা হয়েছে পলিমার মডিফাইড মাষ্টার সিল্ড, যার বিশেষত্ব হল আলো পড়লে এটি দারুন ভাবে ভিন্ন আলোর প্রতিফলন ছড়ায়। রেইনবো ব্ল্যাক কালার ভেরিয়েন্টের ডিভাইসে জা বেশি লক্ষণীয়। বস্তুত প্রিমো এন৪ স্মার্টফোনটি বাজারে পাবেন ২টি কালারে, এগুলো হলঃ সি গ্রিন এবং রেইনবো ব্ল্যাক।  

বডি

স্মার্টফোনটির রিয়ার প্যানেলে নিচের দিকে একপাশে পাবেন ওয়ালটন ব্র্যান্ডিং এবং উপরে পাবেন একটি তুলনামূলক ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ফ্রন্ট প্যানেলে পাচ্ছেন স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে, ভি- নচ এবং এর ইয়ারপিছ। ফোনটির উপরের দিকে পাবেন ৩.৫ এমএম হেডফোন জ্যাক, ডান পাশে ভলিউম রকার এবং পাওয়ার বাটন, বামে সিমকার্ড ট্রে (২টি সিম + একটি এসডি কার্ড) এবং নিচে পাবেন ইউএসবি ২.০ পোর্ট , স্পিকার এবং একটি মাইক্রোফোন গ্রিল। ডিভাইসটি হাতে নিলে তুলনামূলকভাবে ভালই প্রিমিয়াম ফিল পাবেন, আর ডিভাইসটির ওজনও অনেক কম মাত্র ১৮৪ গ্রাম এর মত । মোট কথা ডিজাইন এর দিক দিয়ে স্মার্টফোনটি অসাধারণ।

ডিসপ্লে

প্রিমো এন৪ স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট প্যানেলে পাবেন ৬.৫ ইঞ্চি ইনসেল আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল। আর এই ডিসপ্লেটির রেজুলেশন ৭২০ পিক্সেল। আইপিএস প্যানেল হওয়ার ফলে, বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে দেখলেও স্মার্টফোনটিতে কোনরকম কালার শিফটিং লক্ষ্য করা যায়না। দাম হিসেবে ডিসপ্লেটি দারুন, আমাদের দেশের স্মার্টফোন ক্রেতাগন বাজেট এর ভেতর চান একটু বড়-সর ডিসপ্লে, তাদের জন্য এই স্মার্টফোনটি ঠিক আছে।  

ইউজার ইন্টারফেস

স্মার্টফোনটির ইউজার ইন্টারফেস এন্ড্রয়েড ৯ পাই এর স্টক ইন্টারফেস এর অপর হালকা কাস্টমাইজ করে বানানো। তবুও ব্যবহারকারিরা প্রায় স্টক এর স্বাদই পাবেন। এক্সট্রা ফিচার হিসেবে এই স্মার্টফোনে থ্রি ফিঙ্গার স্ক্রিনশট, পিক আপ-টু-রিসিভ কল, স্মার্ট কন্ট্রোল ইত্যাদি সুবিধা পাবেন।

হার্ডওয়্যার

স্মার্টফোনটিতে পাচ্ছেন মিডিয়াটেক এর ৬৭৬৩ (অক্টাকোর) প্রসেসর। যাতে থাকছে ২.০ গিগাহার্জ ক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি করটেক্স এ-৫৫ কোর। আর গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে এতে পাচ্ছেন মালি এমপি জি৭১ জিপিইউ। এতে পাবেন ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। স্মার্টফোনটিতে পাবজি এবং ফ্রি-ফায়ার এর মত গেমস গুলো খুব ভালোভাবেই খেলা যাচ্ছিল।

সিকিউরিটি

স্মার্টফোনটিতে প্রাইমারি সিকিউরিটি হিসেবে পাবেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। আর তুলনামূলক ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের পরে, সেকেন্ডারি সিকিউরিটি ফিচার হিসেবে এতে পাবেন ফেস আনলক। মোটামটি স্বাভাবিক আলোতে এই ফেস আনলক ফিচার ভালোই কাজ করবে।

ব্যাটারি

স্মার্টফোনটিতে পাবেন ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, স্বাভাবিক ব্যবহারে সারাদিনের মত ব্যাটারি ব্যাকআপ অনায়াসেই পাবেন। আর স্মার্টফোনটির চার্জিং টাইম প্রায় আড়াই ঘন্টার মত।

ক্যামেরা

স্মার্টফোনটির রিয়ার প্যানেলে পাবেন তিনটি ক্যামেরা সেন্সর নিয়ে একটি ট্রিপল ক্যামেরা মডিউল। যার ভেতর একটি ১৬ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি সেন্সর, ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড সেন্সর এবং একটি ২ মেগাপিক্সেল এর ডেপথ সেন্সর পাবেন। ভালো আলোতে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে বেশ দারুন দারুন ছবি তুলতে পারবেন। ন্যাচারাল কালার এবং ডাইনামিক রেঞ্জ এর দিক দিয়েই এই ট্রিপল ক্যামেরা মডিউল বেশ এগিয়ে। আর এর ওয়াইড এঙ্গেল ছবি ক্যাপচারের ব্যাপারটাও দারুন পাবেন। স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট প্যানেলে পাবেন একটি ১৩ মেগাপিক্সেলের সেলফি শুটার। ক্যামেরাটিতে দিয়ে তুলনামূলক বেশ ভালোমানের সেলফি তুলতে পারবেন আশা রাখি। তবে ব্যাক কামেরার চাইতে ফ্রন্ট ক্যামেরা আমার কাছে বেশি পছন্দ হয়েছে। দাম অনুযায়ী এই স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে এবং ডিজাইন দুটিই খুবই অনবদ্য। আর ৩/৩২ ভার্সনের চাইতে এই ৪/৬৪ জিবি ভার্সন অনেকবেশি স্টেবল। স্মার্টফোনটির এক্সপেরিয়েন্স নিতে এখনি আপনার পাশের ওয়ালটন প্লাজায় চলে যেতে পারেন।

পুড়োটা পড়ুন