১৯৭১ থেকে ২০২০: জীবন দিয়ে জীবন বাঁচানোর গল্প!

  কোন মন্তব্য নেই
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জালাল নামে আরেকজন পুলিশ সদস্য মারা গেলেন। এ নিয়ে করোনায় সাতজন পুলিশ সদস্যে জীবন দিলেন। ৭১ এ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বাহিনীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জীবন দিয়েছিল পুলিশ সদস্যরা। করোনা সংকট মোকাবেলাতেও সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও প্রাণহানি পুলিশের।



আগেও বলেছি, এখনো বলি। এই করোনা সংকটকালে আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সালাম। এই সুযোগে বাকিদেরও শ্রদ্ধা জানাই।

বিশেষ করে সংকট মোকাবেলায় আন্তরিকতা নিয়ে যারা কাজ করছেন সেই ডাক্তার-নার্সসহ সব স্বাস্থ্য কর্মীদের শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা এই দেশের জনপ্রশাসনের প্রত্যেক কর্মীর জন্য। মাঠ প্রশাসনে‌ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছেন এক কথায় অসাধারণ। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা মানুষের পাশে থাকছেন অব্যাহতভাবে।

এ দেশের অনেক সাধারণ মানুষও স্বেচ্ছাসেবীরা যেভাবে লড়াই করছেন সেগুলোও দারুন সব গল্প বিস্ময় নিয়ে দেখছি বিদ্যানন্দকে। দেখছি আরো অনেকের আরও অনেক ভালো কাজ। ধন্যবাদ দায়িত্বশীল সব সাংবাদিকদের।

তবে আমাদের সামনে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সামনের দিনগুলোতে। এর মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের সমন্বয়টা আরেকটু ভালো হতে হবে, সাধারণ মানুষেরা বা সব রোগীরা যেন একটু ভালো চিকিৎসা পায়। অনেক কিছুই খুলছে এখন। এই সময়টাতে সর্তকতা ও স্বাস্থ্য বিধি মানা খুব জরুরী। জরুরী জরুরী আমাদের আচরণগত পরিবর্তন।

সংকটময় এই সময়ে আফসোস সেইসব লোকেদের জন্য যাদের অনেক সম্পদ ও ক্ষমতা থাকার পরেও মানুষের পাশে আসছেন না। করুণা সেইসব জনপ্রতিনিধিদের জন্য, সেইসব ব্যবসায়ীদের জন্য, সেইসব সুশীলদের জন্য যারা এই সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছেন না।

তবে চারপাশে অনেক আশার গল্পও রয়েছে। এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সৈকত গত দুই মাস ধরে সাধারণ মানুষকে খাওয়ানোর অসাধারণ কাজটা করে যাচ্ছে ভালোবাসা তার জন্য। আমি জানি সারা দেশে এমন অনেক গল্প আছে।

এইসব গল্প গুলো জুড়ে দিয়েই আজকের বাংলাদেশ। আমি বিশ্বাস করি আমাদের সম্মিলিত লড়াইয়ে সুদিন আসবেই। কৃষ্ণচূড়া আর জারূলে ভোরের আলো ফুটবেই। আমি সেই অপেক্ষায় আছি। শুভ সকাল বাংলাদেশ।

কোন মন্তব্য নেই :

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন